1. robin.nasif@live.com : নিউজ ডেস্ক :
  2. farjulcreative@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : Farjul Islam
  3. mh2mukul@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : M Moinul Hossain
  4. nh.tiash@gmail.com : Nawshad Tiash : Nawshad Tiash
আইনের শাসন সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই কাজ করতে হবে: এফআইডিএইচ TV3 BANGLA
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর

আইনের শাসন সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই কাজ করতে হবে: এফআইডিএইচ

গালিব আহমেদ
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৩৫

এফআইডিএইচ (FIDH) প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আইনের শাসনের একটি ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে, এবং সরকারকে জরুরিভাবে বাস্তবসম্মত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি মোকাবেলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

“নিয়ন্ত্রনের বাইরে – বাংলাদেশে মানবাধিকার ও আইনের শাসনের সংকট” শিরোনামের প্রতিবেদনে আইন প্রয়োগের দুর্বল চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে যা বিচার বিভাগ দ্বারা সংঘটিত হচ্ছে। সরকারের নির্বাহী শাখা থেকে স্বাধীনতার অভাব, প্রেসের অস্বাভাবিক সেন্সরশিপ, সমালোচনামূলক কণ্ঠের দমন, সমাবেশ এবং সংগঠনের স্বাধীনতার উপর কঠোর বিধিনিষেধ ইত্যাদি উঠে এসেছে।

 

প্রতিবেদনটি আইনজীবী, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং জাতিসংঘের কর্মকর্তাসহ – ২০ জন ব্যক্তির অনলাইন সাক্ষাৎকার থেকে সংগৃহীত তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি।

 

বাংলাদেশে, পুলিশ এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন নামে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা প্রায়ই গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। এরমধ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ১৩৪টি জানুয়ারি ২০১৮ থেকে জুন ২০২১ এরমধ্যে সংঘটিত হয়৷ প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধেও নির্যাতনকে একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে৷ কর্তৃপক্ষের অন্যান্য অপব্যবহারের মধ্যে জোরপূর্বক অন্তর্ধান (গুম) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ২০১৯ সালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে যুক্তি দিয়েছে এফআইডিএইচ।

 

গত ১৫ বছরে দেশের বিচার বিভাগ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে জনসাধারণ বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা হারিয়েছে। ফলে অপরাধের শিকার ব্যক্তির আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়ার মানসিকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেমন ২০২০ সালের রেকর্ড অনুযায়ী ৪০টি মৃত্যু জনতার আক্রোশ বা গণধোলাই এর ফলে ঘটেছে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতিকূল প্রেস কভারেজকেও পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। নিউজ আউটলেটগুলির নিরলস সেন্সরশিপ এবং সাংবাদিকদের নিপীড়ন ২০২১ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন বিশ্ব প্রেস ফ্রিডম সূচকে বাংলাদেশ অর্জন করেছে।

 

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর সরকারের আক্রমণ ব্যক্তিদের তাদের ভিন্নমত প্রকাশের জন্য খুব কম, বা কোনো জায়গা ছেড়ে দেয়নি। যারা ওয়েব এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে সরকারের সমালোচনা করেছেন তাদের নজরদারিতে রাখার জন্য কঠোর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে ফেইসবুক পোস্টের “লাইক” বা “শেয়ার” করলেই গ্রেপ্তার হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

 

রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের কার্যকলাপ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। অধিকন্তু, বাংলাদেশে কর্মরত এনজিওগুলোর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সমিতির স্বাধীনতার অধিকার খর্ব করার জন্য বিধিনিষেধমূলক আইন ব্যবহার করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদনটি মূলত সরকারের সমস্যাযুক্ত চর্চাগুলোকে মোকাবেলা করার জন্য সুপারিশ করেছে।

 

৩০ ডিসেম্বর ২০২১
এনএইচ

Leave a Reply

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…

আর্কাইভ