15.7 C
London
June 18, 2024
TV3 BANGLA
আন্তর্জাতিক

একবার শুক্রাণু দিলেই শিক্ষার্থীরা পাবেন লাখ টাকা

জন্মহার কমে যাওয়ায় এক সন্তান নীতি থেকে সরে আসেছে চীন। বর্তমানে দেশটিতে সর্বোচ্চ তিনটি সন্তান নিতে পারেন দম্পতিরা। তবে এরপরেও চীনে জন্মহার বাড়ানো যাচ্ছে না। এবার জন্মহার বাড়াতে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নগদ অর্থের বিনিময়ে সবচেয়ে সেরা শুক্রাণু সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে একটি চীনা শুক্রাণু ব্যাংক। সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, হেনান প্রদেশের হিউম্যান স্পার্ম ব্যাংকের লক্ষ্য হলো সর্বোচ্চ সংখ্যার এবং সবচেয়ে শক্তিশালী শুক্রাণুর সন্ধান করা।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাদ্যম জানায়, ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা ৫০ দিন পর পর সর্বোচ্চ ২০ বার শুক্রাণু দিতে পারবেন। প্রত্যেকবার শুক্রানু দেওয়ার জন্য এক শিক্ষার্থী ৬ হাজার ১০০ ইউয়ান যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯১ হাজার ৬২৫ টাকা পাবেন। তবে শুক্রাণু দিতে এক শিক্ষার্থীর ৫ ফিট ৪ ইঞ্চির বেশি উচ্চতা থাকতে হবে। সেইসঙ্গে ধূমপায়ী, মাদকাসক্ত ও সমকামি হওয়া যাবে না। শুক্রাণুর নমুনাগুলো কমপক্ষে চারটি মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হবে- ঘনত্ব, আয়তন, গঠন এবং গতিশীলতা।

গত ১০ সেপ্টেম্বর হিউম্যান স্পার্ম ব্যাংক শুক্রাণু সংগ্রহের এ আয়োজনের কথা জানান। সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবোতে দেওয়া একটি পোস্টে জানায়, রক্তদানের মতো শুক্রাণু দেওয়াও একটি মানবিক কর্মকাণ্ড। এটি কিছু মানুষের জীবনে সুসংবাদ নিয়ে আসতে পারে।

জন্মহার কমে যাওয়ায় ২০১৫ সালে এক সন্তান নীতি থেকে সরে আসে চীন। বর্তমানে দেশটিতে দম্পতিরা সর্বোচ্চ তিনটি সন্তান নিতে পারেন। তবে এরপরেও চীনে জন্মহার বাড়ানো যাচ্ছে না। জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি, বেশিরভাগ নারীর কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং উচ্চশিক্ষার প্রতি ঝোঁক এ বিষয়গুলো জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি ধীর করে দিয়েছে দেশটিতে।

চীনের আইন অনুযায়ী, ডোনার শুক্রাণু ব্যবহার করে সহকারী প্রজনন প্রযুক্তির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুরা তাদের দাতার সাথে কোনো আইনি সম্পর্ক রাখে না। এবং শুক্রাণু দাতারা সন্তান লালন-পালন করতে বাধ্য নয়, তাদের অভিভাবকত্বও নেই।

এম.কে
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আরো পড়ুন

আইসল্যান্ডে অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি

দঃ আফ্রিকায় পাত্তা পাননি মোদি, রিপোর্টের পর সাইবার আক্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রে মোদি সফর নিয়ে অখুশি মার্কিন আইনপ্রণেতারা