12.2 C
London
April 14, 2024
TV3 BANGLA
বাংলাদেশ

কাজ হারিয়ে দেশে ফেরা প্রবাসীদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

করোনাকালে বিদেশে কাজ হারিয়ে দেশে ফেরার পর কর্মীদের ব্যবসার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এ জন্য সরকার থেকে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশফেরত কর্মীরা ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা পাচ্ছেন। আর ঢাকার বিমানবন্দরে ফিরেই পাচ্ছেন ৫ হাজার টাকা। কোনো প্রবাসী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিদেশে মারা গেলে তার পরিবার সরকার থেকে পাচ্ছেন ৩ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

করোনা ভাইরাস মহামারিতে বিদেশে টিকতে না পেরে গত সাড়ে পাঁচ মাসে দেশে ফিরেছেন ১ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন।

চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের ২৮টি দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন ১ লাখ ২৭  হাজার ২০৯ জন প্রবাসী। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী ফিরেছেন। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের বেশিরভাগই কাজ হারিয়েছেন। আবার কারো কারো কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কেউবা বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে পুরুষ কর্মী রয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৫০৬ জন। আর নারী কর্মী ১১ হাজার ৭০৩ জন।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ না থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরেছেন ৩৬ হাজার ৫৩৩ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৪ হাজার ২৭১ জন এবং আর নারী ২ হাজার ২৬২। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব। সেখান থেকে ফিরেছেন ৩০ হাজার ৫৩১ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৬ হাজার ২০৪ জন এবং আর নারী রয়েছেন ৪ হাজার ৩২৭ জন। সৌদিফেরত কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করে আউটপাস নিয়ে ও কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন।

কাতার থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ১০ হাজার ৫৭৫ জন। অন্যদিকে, মালদ্বীপ থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ৯ হাজার ৩৬১ জন। বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করে ওমান থেকে দেশে ফিরেছেন ৮ হাজার ৬০৯ জন। ভিসার মেয়াদ না থাকায় কুয়েত থেকে দেশে ফিরেছেন ৮ হাজার ৬২৬ জন। ইরাক থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ৫ হাজার ২৪৯ জন কর্মী। মালয়েশিয়া থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ৫ হাজার কর্মী। তুরস্ক থেকে  ফিরেছেন ৩ হাজার ৮৮১ জন। লেবানন থেকে ফিরেছেন ৩ হাজার ১১৩ জন। কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সিঙ্গাপুর থেকে ফিরেছেন ২ হাজার ৮৬ জন। বাহরাইন থেকে ফিরেছেন ৭৪৬ জন।

কাজ না থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে এসেছেন ৭১ জন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ফিরেছেন ১০০ জন। কাজ না থাকায় থাইল্যান্ড থেকে ফিরেছেন ২০ জন। মিয়ানমার থেকে ফিরেছেন ৩৯ জন। জর্দান থেকে ফিরেছেন ১ হাজার ৭১৮ জন। প্রবাসে কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভিয়েতনাম থেকে ফিরেছেন ১২১ জন এবং শ্রীলংকা থেকে ফিরেছেন ৮০ জন।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ইতালি থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১৫১ জনকে। ৬ জুলাই বাংলাদেশ থেকে ইতালি গেলে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। পরে দেশে ফিরলে সবাইকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।

এছাড়া, লিবিয়া থেকে ১৫১ জন, নেপাল থেকে ৫৫ জন, শ্রীলংকা থেকে ২০৮ জন, থাইল্যান্ড থেকে ৩২ জন, হংকং থেকে ১৬ জন, জাপান থেকে ৮ জন, রাশিয়া থেকে ১০০ জন, মরিশাস থেকে ৩৬ জন এবং কম্বোডিয়া থেকে ৪০ জন কর্মী ফেরত এসেছেন।

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আরো পড়ুন

বেটিং অ্যাপে সাকিবের বোনের নাম নিয়ে চাঞ্চল্য

রাজশাহীতে বিচ্ছেদ বেশি, সিলেটে সবচেয়ে কম

”ক্ষ” আসছে ঢাকায়