এ বছরের প্রথম তিন মাসে ইউরোপজুড়ে অনিয়মিত পথে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত সুরক্ষা সংস্থা ফ্রন্টেক্স৷ সামগ্রিকভাবে মোট অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা কিছুটা কমলেও ইউরোপমুখী কোনো কোনো অভিবাসন রুটে আগমন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে৷
১৫ এপ্রিল ফ্রন্টেক্স জানিয়েছে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ইউরোপজুড়ে ৪৮ হাজার ৬০০টি অনিয়মিত প্রবেশের প্রচেষ্টা নথিভুক্ত করেছে তারা৷ সংখ্যাটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অন্তত ১২ শতাংশ কম৷
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপমুখী অভিবাসন প্রত্যাশীদের সংখ্যা কমার কারণেই চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে আগমন সামগ্রিকভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে মনে করছে ফ্রন্টেক্স৷ তবে, ২০২৩ সালেও ভূমধ্যসাগরীয় অভিবাসন রুটটি ছিল সবচেয়ে ব্যস্ত৷
এ বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে অন্তত ১১ হাজার ৪০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগারীয় রুট হয়ে ইউরোপে পৌঁছেছেন৷ গত বছর একই সময়ে সংখ্যাটি ছিল দ্বিগুণেরও বেশি৷ ২০২৩ সালে সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় পথে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বেশিরভাগই ছিল বাংলাদেশ, সিরিয়া এবং টিউনিশিয়ার নাগরিক৷
ইউরোপমুখী অন্য প্রধান অভিবাসন রুটগুলোর মধ্যে বলকান হয়ে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যাও এ বছরের প্রথম তিন মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে৷ অথচ মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া এবং আফ্রিকা থেকে আসা অভিবাসন প্রত্যাশীদের কাছে পশ্চিম বলকান রুটই হলো ইউরোপে ঢোকার প্রধান করিডোর৷
জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে এই রুটে ‘অনিয়মিত সীমান্ত পারাপার শনাক্ত’ পাঁচ হাজার পাঁচশ জনে নেমে এসেছে৷ সংখ্যাটি গত বছরের তুলনায় তিন ভাগের একভাগ৷
সূত্রঃ ফ্রন্টেক্স
এম.কে
২১ এপ্রিল ২০২৪
বিভাগঃ অভিবাসন