বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিতে এক দলীয় কর্মীকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসানের বিরুদ্ধে। ৭ নভেম্বর ঢাকায় আয়োজিত দলটির একটি শোভাযাত্রার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ডেইলি ওয়াদার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিওতে সমাবেশের ভিড়ের মধ্যে রাজীব আহসানকে এক ব্যক্তিকে লাথি মারতে দেখা যায়। ওই ব্যক্তি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের লালবাগ কমিটির সদস্য বলে সংগঠনটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়।
স্বেচ্ছাসেবক দলের ঢাকা উত্তর ইউনিটের নেতা শেখ ফরিদ উদ্দিন জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং লাথি মারার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন। তবে তার দাবি, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে একজন জ্যেষ্ঠ নেতা তার জুনিয়র সহকর্মীকে শাসন করতে পারেন।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির এক সাংগঠনিক সম্পাদকও শোভাযাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রচেষ্টার মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলে স্বীকার করেছেন। তিনিও নিশ্চিত করেছেন, লাথির শিকার ব্যক্তি স্বেচ্ছাসেবক দলের লালবাগ কমিটির সদস্য।
ডেইলি ওয়াদা জানিয়েছে, ভিডিওতে দেখা স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি ব্যানারের সূত্র ধরে তারা ঘটনাটি শনাক্ত করে এবং প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে।
রাজীব আহসানের ব্যক্তিগত সচিব সেলিম আহমেদ ভাইরাল ভিডিওটি দেখেছেন বলে জানান, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার ব্যক্তিগত সহকারী মলয় কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি ভিডিওটি দেখেননি এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এ ঘটনা নিয়ে কোনো আলোচনা করেননি। আরেক ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, রাজীব আহসান ৭ নভেম্বরের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। তবে তিনি নিজে ঘটনাটি দেখেননি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার দুপুর ১টার পর রাজীব আহসানের সঙ্গে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
সূত্রঃ ডেইলি ওয়াদা
এমকে

