9.3 C
London
February 28, 2026
TV3 BANGLA
আন্তর্জাতিক

ভারতের রুশ তেল কেনা বন্ধের দাবি নিয়ে রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির অংশ হিসেবে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে বলে এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না রাশিয়া। রাশিয়া বলেছে, ভারত একটি স্বাধীন দেশ এবং যে কোনও দেশ থেকেই তেল কেনার অধিকার তার রয়েছে। ভারতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

রাশিয়ার মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ভারত সব সময়ই বিভিন্ন দেশ থেকে তেল আমদানি করে এসেছে। রাশিয়া ভারতের একমাত্র তেল সরবরাহকারী নয়। তাই এখানে নতুন কিছু নেই।

পেসকভ আরও জানিয়েছেন, ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ তেল কেনা বন্ধ করার কোনও ঘোষণা দেয়নি। রাশিয়ার বেসরকারি ব্যবসায়িক রেডিও কোমারসান্ত এফএমও জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে কোথাও রুশ তেল আমদানি বন্ধের কথা বলেননি।

তিনি আরও বলেছেন, রাশিয়া সাধারণত ভারতে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এত বড় ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই মনে হচ্ছে, ট্রাম্প শুধু বাণিজ্য আলোচনায় জয় দেখানোর চেষ্টা করছেন।

তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ২০২২ সালে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ছেড়ে রাশিয়া যখন ভারতমুখী হয়, তখন উৎপাদন কমে যায় এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারে উঠে যায়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে হাইড্রোকার্বন বাণিজ্য দুই দেশের জন্যই লাভজনক এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখে। আমরা এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।

উল্লেখ্য, বিশ্ব বাণিজ্য তথ্য সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারত প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল রুশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে। ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরও এই আমদানি অব্যাহত রয়েছে। ভারত বর্তমানে রুশ তেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা এবং দেশের মোট তেল আমদানির এক-তৃতীয়াংশই আসে রাশিয়া থেকে।

সূত্রঃ এনডিটিভি

এম.কে

আরো পড়ুন

ইতিহাসের শীর্ষতম ধনী হয়ে উঠেছেন ইলন মাস্ক

সামাজিক মাধ্যমের কার্যকলাপে ইউরোপীয় সাবেক কমিশনারসহ পাঁচজনের যুক্তরাষ্ট্র ভিসা প্রত্যাখ্যান

অ-ইউরোপীয় অভিবাসীদের ‘সুযোগ-সুবিধা’ সীমিত করতে চায় সুইডেন