1. robin.nasif@live.com : নিউজ ডেস্ক :
  2. farjulcreative@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : Farjul Islam
  3. mh2mukul@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : M Moinul Hossain
  4. nh.tiash@gmail.com : Nawshad Tiash : Nawshad Tiash
মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১২ বস্তা টাকা! TV3 BANGLA
রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবর
আবারো বড় ঝড়ের কবলে পড়তে যাচ্ছে লন্ডন ইউরোপ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের উপর বিদ্বেষমূলক আচরণের নিন্দা করলেন পোপ ইংল্যান্ডে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে এখন পর্যন্ত ওমিক্রনে মৃত্যু শূন্য, তবে সতর্কতা জরুরি: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যুক্তরাজ্য ভ্রমণের আগে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক লন্ডনে মাস্ক না পরায় একদিনেই ৩০ হাজার পাউন্ড জরিমানা ম্যানচেস্টারে ভেজাল পণ্যের আস্তানায় পুলিশের অভিযান শিশু হত্যার দায়ে বাবা এবং সৎ মায়ের কারাদণ্ড প্যাটার্ন বদলালেও মৃত্যু হার বেশি কৃষ্ণাঙ্গ ও এশিয়ানদের বাংলাদেশি রসনার সুঘ্রাণ ছড়ালো লন্ডনের জাঁকজমকপূর্ণ ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডে

মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১২ বস্তা টাকা!

নিউজ ডেস্ক
  • শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮৭

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হলে আটটি দানবাক্স থেকে ১২ বস্তা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে। শনিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় মসজিদ কমিটি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বাক্সগুলো খোলা হয় পরে দ্বিতীয় তলার মেঝেতে নিয়ে ঢালা হয়। শুরু হয় গণনা।

 

গণনা কাজে স্থানীয় একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছাড়াও মসজিদ ক্যাম্পাস মাদ্রাসার শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। সারাদিন গণনা শেষে বিকাল নাগাদ টাকার পরিমাণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম মোস্তফা।

 

পাগলা মসজিদে দান করলে মনের ইচ্ছে পূরণ হয়, এমন বিশ্বাসে মুসলমান ছাড়াও অন্যান্য ধর্মের লোকজন এখানে দান করে থাকেন। নগদ টাকা ছাড়াও পাওয়া যায়, চাল, ডাল, গবাদিপশু আর হাঁস-মুরগি। এসব পণ্য নিলামে বিক্রি করে জমা করা হয় মসজিদের ব্যাংক একাউন্টে।

 

মসজিদের আয় থেকে নিজস্ব খরচ মিটিয়েও জেলার বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসা এতিমখানাসহ গরিব ছাত্রদের মাঝে ব্যয় করা হয়।

 

প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ মসজিদটির দানসিন্দুকগুলোতে নগদ টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন। সাধারণত তিন মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় পর দানসিন্দুক খোলা হয়।

 

কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে পাগলা মসজিদ অন্যতম। শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মাত্র ১০ শতাংশ ভূমির ওপর এই মসজিদটি গড়ে উঠেছিল। সময়ের বিবর্তনে আজ এ মসজিদের পরিধির সাথে সাথে বেড়েছে এর খ্যাতি ও ঐতিহাসিক মূল্যও। মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি অত্যাধুনিক ধর্মীয় কমপ্লেক্স এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রসারিত হয়েছে মূল মসজিদ ভবন। দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মসজিদটিকে ঘিরে চলছে ব্যাপক উন্নয়নযজ্ঞ। এছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থ সাহায্য করা হয়।

 

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক এই মসজিদে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ নগদ টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার দান করেন। এছাড়া গবাদিপশু, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্রও দান করেন মানুষ।

 

৬ নভেম্বর ২০২১
সূত্র: ঢাকা টাইমস

Leave a Reply

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…

আর্কাইভ