4.7 C
London
March 20, 2026
TV3 BANGLA
বাকি বিশ্বশীর্ষ খবর

‘মহামারির কারণে বিশ্বে খাদ্য সংকটের ঝুঁকি বেড়েছে’

জাতিসংঘের খাদ্য বিষয়ক দূত সতর্ক করেছেন, করোনা মহামারি অব্যাহত থাকায় বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী মানুষরা খাদ্য সংকটে পড়বে। এমন কি মহামারি শুরুর সময়ের তুলনায় এ বছর আরো ভয়াবহ ঝুঁকি রয়েছে।

 

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জাতিসংঘের ফুড সিস্টেম সামিট ২০২১-এর সচিব এবং বিশেষ দূত অ্যাগনেস কালিবাটা বলেন, কোভিডের কারণে খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে। কিছু স্থানে তা মানুষের নাগালের বাইরে। এ বছরের খাদ্য কর্মসূচি গত বছরের তুলনায় চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে।

 

তিনি বলেন, গত বছর বিশেষজ্ঞরা যেসব বিষয়ের পূর্বাভাস করেছিলেন সেগুলোর ধরন পালটে গেলেও নির্মূল সম্ভব হয়নি। এর প্রধান প্রভাবটি পড়েছে ফুড মার্কেটে। লকডাউনের কারণে বাজার বন্ধ থাকায় কৃষকদের জন্য পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠেছে। গত বছর বিভিন্ন দেশ যেকোনো পন্থায় খাদ্য ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে গেছে। এ বছর কাজটি আরো কঠিন হয়ে উঠেছে। কিছু অঞ্চলে খদ্যমূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

 

বিশেষ করে আফ্রিকান দেশগুলোর দুর্দশার কথা তুলে ধরেন তিনি। খাদ্যমূল্যের মারাত্মক বৃদ্ধির পাশাপাশি ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে বেশকিছু দেশ। এর উপর পূর্ব আফ্রিকায় প্রতি বছর খরা দেখা দেয় যা উত্তর কেনিয়া, সোমালিয়া ও ইথিওপিয়াকে আক্রান্ত করে। বলা হচ্ছে, এবছরের খরা আগের বছরের তুলনায় আরো গুরুতর হবে।

 

তিনি আরো বলেন, থাইল্যান্ডের মতো কিছু দেশে মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে। কিছুক্ষেত্রে খাদ্যের মূল্য খুবই দ্রুত গতিতে বাড়ছে। করোনা মহামারি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটকে জাগিয়ে তোলায় আরো অনেক দেশ সমস্যায় ডুবে যেতে পারে। আমরা আমাদের মজুদ জোরদার করতে পারিনি।

 

তিনি মনে করেন, বিভিন্ন দেশের সীমানা বন্ধ থাকায় অসুবিধা হলেও উৎপাদন ভালো থাকায় গত বছর জাতি সংঘের ফুড সিস্টেম ভালো সহায়তা করতে পারেছে। কিন্তু এ বছর আরো নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভবে তেমন সফলতা নাও আসতে পারে। কারণ, বেশিরভাগ মানুষই গত বছর তাদের সঞ্চিত খাবার, অর্থ, পারিবারিক সহায়তা শেষ করে ফেলেছে। এখন তারা সম্বলহীনের মতো দীর্ঘ সংকটের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।

 

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
এনএইচ

আরো পড়ুন

Buy to Let property: Landlords and Tenants

ভারতে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে পিকে হালদার

অনলাইন ডেস্ক

আগামী বছর হজে যেতে পারবেন ১ লাখ ২৭ হাজার বাংলাদেশি