যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে অভিবাসন ইস্যু নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশটির ডানপন্থী রাজনৈতিক নেতা নাইজাল ফারাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেছেন, “বরিসওয়েভ” নামে পরিচিত অভিবাসন প্রবণতা আগামী বছরগুলোতে ব্রিটিশ পরিবারগুলোর ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে।
তার মতে, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিটি ব্রিটিশ পরিবারের গড়ে প্রায় ২০ হাজার পাউন্ড অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হতে পারে। তিনি এটিকে দেশের অর্থনীতি ও জনসেবার ওপর একটি বড় চাপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ফারাজ আরও বলেন, তার দল রিফর্ম এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ নেবে। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে অনির্দিষ্টকালের বসবাসের অনুমতি (ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন) বন্ধ করা, বিদেশিদের জন্য সরকারি ভাতা প্রদান বন্ধ করা এবং অভিবাসন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতি গ্রহণ।
তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো পদক্ষেপ না নিলে অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়বে এবং রাষ্ট্রের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে। তার ভাষায়, “কিছু না করে বসে থাকার সামর্থ্য আমাদের নেই।”
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাজ্যে অভিবাসন ও অর্থনৈতিক চাপের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে ব্রেক্সিট-পরবর্তী সময়ে এই ইস্যু আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ফারাজের এই বক্তব্য আগামী নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া
এম.কে

