15.7 C
London
October 12, 2026
TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যে ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে বিতর্কে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মালিক জিম র‍্যাটক্লিফ

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মালিক স্যার জিম র‍্যাটক্লিফের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার মন্তব্যের প্রতিবাদে ক্লাবটির মুসলিম সমর্থকদের সংগঠন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মুসলিম সাপোর্টার্স ক্লাব তাকে ক্লাবের মালিকানা থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে সংগঠনটি র‍্যাটক্লিফের বিরুদ্ধে ‘অনাস্থা’ প্রকাশ করে তার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে গভীরভাবে হতাশাজনক এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে।

র‍্যাটক্লিফ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাজ্যকে ‘অভিবাসীদের দ্বারা উপনিবেশিত’ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। পরে ওই মন্তব্যের জন্য তিনি ক্ষমা চান। তবে চলতি সপ্তাহে বিবিসির ‘বিগ বস’ সাক্ষাৎকারে তিনি আবারও অভিবাসন নিয়ে তার আগের বক্তব্যের বিষয়ে অবস্থান তুলে ধরেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মুসলিম সাপোর্টার্স ক্লাব একটি ‘স্টেটমেন্ট অব নো কনফিডেন্স’ বা অনাস্থার বিবৃতি প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, র‍্যাটক্লিফের সর্বশেষ মন্তব্যে তারা গভীরভাবে হতাশ এবং এগুলো সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে।

সংগঠনটির বক্তব্য অনুযায়ী, ব্রিটেনের অন্যতম ধনী ব্যক্তির কাছ থেকে আবারও অভিবাসী এবং সমাজের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় মানুষদের সমস্যার কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

মুসলিম সমর্থকদের সংগঠনটি র‍্যাটক্লিফের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশের পাশাপাশি তার নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবং তাকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

র‍্যাটক্লিফের অভিবাসনবিষয়ক মন্তব্যকে ঘিরে এর আগেও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফেব্রুয়ারির মন্তব্যের পর তিনি ক্ষমা চাইলেও, সাম্প্রতিক বিবিসি সাক্ষাৎকারে একই ধরনের অবস্থান নিয়ে কথা বলায় বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মুসলিম সাপোর্টার্স ক্লাবের বিবৃতির মাধ্যমে র‍্যাটক্লিফের মন্তব্যের বিরুদ্ধে সংগঠনটির অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।

সূত্রঃ বিবিসি \ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মুসলিম সাপোর্টার্স ক্লাবের বিবৃতি।

এমকে

আরো পড়ুন

রাশিয়াকে নিন্দা জানাতে চীনের প্রতি বরিস জনসনের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে সরকারি অর্থে ইসলামি স্কুলঃ সাত বছরের মেয়েদের হিজাব নিয়ে মুখোমুখি দুই পক্ষ

“১০ বছর আগের কাবুলের চেয়েও খারাপ লন্ডনের মোবাইল নেটওয়ার্ক”— বিস্ফোরক দাবি সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রীর