1. robin.nasif@live.com : নিউজ ডেস্ক :
  2. farjulcreative@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : Farjul Islam
  3. mh2mukul@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : M Moinul Hossain
  4. nh.tiash@gmail.com : Nawshad Tiash : Nawshad Tiash
রানির কাছে ক্ষমা চাইলো ডাউনিং স্ট্রিট TV3 BANGLA
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবর
যুক্তরাজ্যের আবহাওয়ার পূর্বাভাস: এ মাসের শেষে ভারী তুষারপাতের আশংকা ব্রিটেনের ইতিহাসের প্রথম মুসলিম মন্ত্রী বর্ণবাদের শিকার অ্যাসাইলামপ্রার্থীদের অধিকার রক্ষায় ইইউ-এর নতুন দপ্তর মর্টগেজ ভ্যালুয়েশন কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে? যুক্তরাষ্ট্রে বেপরোয়া গুলির আঘাতে নিহত ব্রিটিশ বিজ্ঞানী উইল না থাকলে অপুত্রক বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী মেয়ে: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মাঝ সাগরে নৌকাতে সন্তান জন্ম দিলেন অভিবাসী মা বছরে ৪ লাখ বিদেশি শ্রমিক নেবে জার্মানি জোকোভিচের মালিকানায় তৈরি হচ্ছে কোভিডের ওষুধ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এখন বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম কারণ

রানির কাছে ক্ষমা চাইলো ডাউনিং স্ট্রিট

লন্ডন ডেস্ক
  • শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১২৭

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিটে একাধিক পার্টি বিতর্ক নিয়ে উত্তপ্ত দেশের রাজনীতি। শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রানির প্রশাসনিক দপ্তর বাকিংহাম প্যালেসের কাছে ক্ষমা চেয়েছে ডাউনিং স্ট্রিট।

 

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দাম্পত্য সঙ্গী প্রিন্স ফিলিপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আগের রাতে ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি করেন কার্যালয়ের কর্মীরা। বৃটিশ গণমাধ্যম টেলিগ্রাফে প্রথম এই পার্টির কথা প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, ২০২১ সালের ১৬ এপ্রিল পুরো রাতজুড়ে এই পার্টি চলেছিল। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যখন জাতীয় শোকের সময় চলছিল তখন এ ধরনের পার্টি নিয়ে গভীরভাবে অনুতপ্ত হওয়া উচিৎ।

 

এদিকে ওই পার্টিগুলোতে বরিস জনসন ছিলেন না বলে জানা গেছে। যদিও নিজ কার্যালয়ে কোভিড-১৯ নিয়ম ভঙ্গের দায়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তিনি।

 

একের পর এক পার্টি বিতর্ক নিয়ে বিরোধী দলের তীব্র নিন্দার মুখে পড়েছেন বরিস জনসন। তারা ডাউনিং স্ট্রিটের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

 

সে সময় কোভিডের কারণে নানা কড়াকড়ি চলছিল বৃটেনে। ফলে রানিকেও প্রিন্স ফিলিপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় একাই বসে থাকতে হয়েছিল। অথচ সেই একই সময়ে দুটি পার্টি আয়োজন হয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

 

গত বছরের ১৬ এপ্রিল বৃটেনে ঘরের মধ্যে জড়ো হওয়ার উপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপিত ছিল। এ নিয়ে লেবার নেতা কিয়ের স্টারমার বলেন, এটিই প্রমাণ করে যে, বরিস জনসন কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবমানানা করেছেন। এই কনজারভেটিভরা বৃটেনকে ডুবাচ্ছে। শুধু ক্ষমা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী পার পাবেন না। বরিস জনসনের উচিৎ পদত্যাগ করা।

 

১৪ জানুয়ারি ২০২২
এনএইচ

Leave a Reply

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…

আর্কাইভ