14 C
London
October 16, 2026
TV3 BANGLA
মুক্তমতযুক্তরাজ্য (UK)

আশ্রয় আবেদন নিষ্পত্তিতে হোম অফিসের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কার্যক্রম স্থগিতের আহ্বান

নাশীত রহমান              II      লন্ডন    II       ১৬ অক্টোবর ২০২৬

 

ওপেন রাইটস গ্রুপের নতুন প্রতিবেদনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি তথ্যে ভুল, অসংগতি এবং হোম অফিসের ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতার অভিযোগ। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Home Office) আশ্রয় আবেদন (Asylum Application) নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহারের কারণে গুরুতর সমালোচনার মুখে পড়েছে। ডিজিটাল অধিকারবিষয়ক সংগঠন ওপেন রাইটস গ্রুপ (Open Rights Group—ORG) ছয় মাসব্যাপী তদন্তের পর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হোম অফিসের ব্যবহৃত AI প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য ভুল, তথ্যের অসংগতি, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়া এবং যথাযথ তদারকির অভাব রয়েছে। সংস্থাটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, এসব ত্রুটি আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন নিষ্পত্তিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি ভুল তথ্যের ভিত্তিতে কোনো আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

হোম অফিসের ব্যবহৃত দুটি AI প্রযুক্তি – প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোম অফিস বর্তমানে আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ AI প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

১. Asylum Case Summarisation (ACS) – এই প্রযুক্তি আশ্রয়প্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের লিখিত বিবরণ (Asylum Interview Transcript) বিশ্লেষণ করে সংক্ষিপ্তসার তৈরি করে। কিন্তু তদন্তে দেখা গেছে, AI কখনো সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ দিচ্ছে, কখনো ভুলভাবে উপস্থাপন করছে এবং কখনো এমন সারসংক্ষেপ তৈরি করছে, যা মূল সাক্ষাৎকারের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

২. Asylum Policy Search (APS) – এই প্রযুক্তি হোম অফিসের কেসওয়ার্কারদের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মানবাধিকার, নিরাপত্তা এবং আশ্রয়সংক্রান্ত নীতিগত তথ্য খুঁজে পেতে সহায়তা করে। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কোনো আশ্রয়প্রার্থীর দেশে ফিরে গেলে নির্যাতন বা নিপীড়নের ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে Country Policy and Information Notes (CPIN) এবং অন্যান্য দেশের পরিস্থিতিসংক্রান্ত তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উভয় প্রযুক্তি মাইক্রোসফটের Azure AI Foundry প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে OpenAI-এর GPT-4o মডেল ব্যবহার করে। প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, এসব AI প্রযুক্তি শুধু বিদ্যমান তথ্য খুঁজে বের করে না; বরং নিজেরাও নতুন ভাষায় তথ্য তৈরি করে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়া, বিকৃত হওয়া কিংবা ভুলভাবে উপস্থাপিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

AI-এর তৈরি আশ্রয় সাক্ষাৎকারের সারসংক্ষেপে উদ্বেগজনক ভুল – হোম অফিসের ২০২৫ সালের পরীক্ষামূলক মূল্যায়নে দেখা যায়, ACS প্রযুক্তির তৈরি প্রায় ৯ শতাংশ সারসংক্ষেপে ভুল বা তথ্য বাদ পড়ার সমস্যা ছিল। এসব সারসংক্ষেপ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম থেকে বাদ দিতে হয়েছিল।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত হোম অফিসের বিশেষজ্ঞরা (Subject Matter Experts—SMEs) মোট ২০৩টি AI-প্রস্তুত সারসংক্ষেপ পরীক্ষা করেন।

প্রতিবেদনে উল্লিখিত মান যাচাইয়ের ফলাফল

৯% – ২০২৫ সালের পরীক্ষামূলক মূল্যায়নে ত্রুটিপূর্ণ সারসংক্ষেপ

২২% – পরবর্তী নমুনা পরীক্ষার প্রথম ধাপে ব্যর্থ

৩০/৫৬ – দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষিত সারসংক্ষেপের মধ্যে ব্যর্থ

০.৩% – আনুমানিক মোট মামলার তুলনায় পরীক্ষিত নমুনা

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২২ শতাংশ সারসংক্ষেপ মান যাচাইয়ে ব্যর্থ হয়। দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষা করা ৫৬টির মধ্যে ৩০টি ব্যর্থ হয়। ওপেন রাইটস গ্রুপ উল্লেখ করেছে, দুই ধাপের পরীক্ষায় যথাক্রমে মোট নমুনার প্রায় ২২ শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ ব্যবহারের অনুপযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে কোন নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করে সারসংক্ষেপগুলোকে ব্যর্থ ঘোষণা করা হয়েছে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নেই বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রায় ৭০ হাজার মামলার বিপরীতে পরীক্ষা মাত্র ২০৩টি! – প্রতিবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত আনুমানিক ৭০ হাজার আশ্রয়সংক্রান্ত মামলা প্রক্রিয়াকরণের বিপরীতে মাত্র ২০৩টি AI-প্রস্তুত সারসংক্ষেপ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে। অর্থাৎ আনুমানিক ০.৩ শতাংশ নমুনা যাচাই করা হয়েছে। ওপেন রাইটস গ্রুপের মতে, এত সীমিত পরীক্ষার মাধ্যমে AI প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে যথেষ্ট নিশ্চয়তা পাওয়া কঠিন।

APS প্রযুক্তির মান যাচাই কার্যক্রম বন্ধ – প্রতিবেদনে Asylum Policy Search (APS) প্রযুক্তির পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ACS-এর ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে হলেও মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু APS প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সমতুল্য নিয়মিত মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নেই। যুক্তরাজ্যের সীমান্ত নিরাপত্তা ও আশ্রয়বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আনা টার্লি (Anna Turley) ২০২৬ সালের আগস্টে নিশ্চিত করেছেন যে APS প্রযুক্তির পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। ফলে আশ্রয়সংক্রান্ত নীতিগত তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত এই প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

AI ব্যবহারে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ না করার অভিযোগ – ওপেন রাইটস গ্রুপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোম অফিস যুক্তরাজ্য সরকারের AI Playbook-এর নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রয়োগ করেনি। AI Playbook সরকারি প্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপদ, কার্যকর এবং দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত নির্দেশিকা।

প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে—

  • AI প্রযুক্তির স্বাধীন নিরীক্ষা বা অডিটের পরিকল্পনা নেই।
  • প্রযুক্তিগুলো Algorithmic Transparency Recording Standard Hub-এ তালিকাভুক্ত করা হয়নি।
  • কর্মীদের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
  • AI-কে কী ধরনের নির্দেশনা বা Prompt দেওয়া হচ্ছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।
  • মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে অস্পষ্টতা রয়েছে।
  • সংসদীয় প্রশ্ন এবং তথ্য অধিকার আইনের (FOI) আওতায় দেওয়া কিছু উত্তরে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া গেছে।

 

সংস্থাটির অভিযোগ, হোম অফিস কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

AI ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধির দাবিও প্রশ্নের মুখে – সরকারি পর্যায়ে AI ব্যবহারের অন্যতম যুক্তি হলো প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা বৃদ্ধি।

কিন্তু ওপেন রাইটস গ্রুপের বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৬ সালের এপ্রিলের পর থেকে প্রতি মাসে প্রাথমিক পর্যায়ে আশ্রয় আবেদনের মূল সিদ্ধান্তের (Initial Substantive Asylum Decisions) গড় সংখ্যা প্রায় ৪২ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে আশ্রয় সাক্ষাৎকার থেকে সিদ্ধান্ত পর্যন্ত গড় সময় বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ। আশ্রয় সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন – প্রতিবেদনে উল্লিখিত তুলনামূলক পরিসংখ্যান; পরিবর্তনের কারণ হিসেবে AI-কে প্রতিষ্ঠিত করে না।

তবে এই পরিসংখ্যান থেকে সরাসরি প্রমাণিত হয় না যে AI ব্যবহারের কারণেই সিদ্ধান্তের সংখ্যা কমেছে বা সময় বেড়েছে। আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা, মামলার জটিলতা, জনবল এবং প্রশাসনিক পরিবর্তনের মতো অন্যান্য কারণও প্রভাব ফেলতে পারে।

আশ্রয়প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর আশঙ্কা – ওপেন রাইটস গ্রুপের মতে, আশ্রয় আবেদন নিষ্পত্তি সাধারণ কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়।

একজন আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং কখনো কখনো জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন জড়িত। সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ পড়লে বা ভুলভাবে উপস্থাপিত হলে আশ্রয়প্রার্থীর বিশ্বাসযোগ্যতা (Credibility), অতীতের নির্যাতনের বিবরণ কিংবা দেশে প্রত্যাবর্তনের ঝুঁকি সম্পর্কে ভুল মূল্যায়ন হতে পারে। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, যথাযথ পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ ও তদারকি ছাড়া এসব প্রযুক্তির ব্যবহার আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

হোম অফিসের কাছে তিনটি প্রধান দাবি – ওপেন রাইটস গ্রুপ হোম অফিসের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

  1. ACS ও APS প্রযুক্তির ব্যবহার সাময়িক স্থগিত করা, যতক্ষণ না এগুলোর নির্ভরযোগ্যতা যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে।
  2. স্বাধীন মূল্যায়ন ও অডিট পরিচালনা করা, যাতে AI প্রযুক্তির কার্যকারিতা, নির্ভুলতা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা করা যায়।
  3. Independent Chief Inspector of Borders and Immigration (ICIBI)-এর মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা করা, যাতে হোম অফিসের AI ব্যবহারের পদ্ধতি ও তদারকির কার্যকারিতা যাচাই করা যায়।

 

সংস্থাটি আরও বলেছে, যথাযথ পরামর্শ, দেশীয় আইন, আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা এবং মানবাধিকার নীতিমালার সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্য নিশ্চিত না করে আশ্রয় আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় AI ব্যবহার করা উচিত নয়।

আইনজীবী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য এর তাৎপর্য – এই প্রতিবেদন আশ্রয়সংক্রান্ত মামলায় নিয়োজিত আইনজীবীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত কোনো আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তে সাক্ষাৎকারের বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপেক্ষা অথবা Country Information ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ হলে মূল নথির সঙ্গে সিদ্ধান্তের কারণ তুলনা করা প্রয়োজন।

প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে আইনজীবীরা মূল সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি, সিদ্ধান্তপত্র এবং ব্যবহৃত দেশসংক্রান্ত তথ্যের মধ্যে অসংগতি চিহ্নিত করতে পারেন। তবে শুধু হোম অফিস AI ব্যবহার করেছে, এই যুক্তিতে কোনো আশ্রয় প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেআইনি বা বাতিলযোগ্য হয়ে যায় না। নির্দিষ্ট মামলায় ত্রুটি, তার প্রাসঙ্গিকতা এবং সিদ্ধান্তের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়াতে এবং বিপুল তথ্য বিশ্লেষণে সহায়ক হতে পারে। কিন্তু আশ্রয় আবেদন নিষ্পত্তির মতো মানবাধিকারসংবেদনশীল প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির নির্ভুলতা, স্বচ্ছতা এবং মানবিক তদারকি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ওপেন রাইটস গ্রুপের প্রতিবেদন সেই প্রশ্নই সামনে এনেছে—যে প্রযুক্তির তৈরি তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, তার ওপর কতটা নির্ভর করে একজন আশ্রয়প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা উচিত?

তথ্যসূত্র: Open Rights Group, অক্টোবর ২০২৬। পূর্ণ ২০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন (PDF)

 

আরো পড়ুন

নতুন সমালোচনার জন্ম দিয়ে পদ হারাতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাজ্য–ইসরায়েল সম্পর্কে চরম অবনতিঃ আর্জেন্টিনার পক্ষে ফকল্যান্ড দাবি, ব্রিটেনকে স্যাংশন দেয়ার আহ্বান

৩০০ পাউন্ডের ডাম্পস্টার ঘর! লন্ডনের ভাড়া সংকটে স্থপতির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ