যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এপস্টিন বিতর্ক, যখন একই সঙ্গে ইরান ইস্যুতে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
হোয়াইট হাউসে উপস্থিত হয়ে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি কখনোই মৃত শিশু যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন এবং তার সহযোগী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখেননি। তার এই বক্তব্যের পর থেকেই দীর্ঘদিন আড়ালে থাকা এপস্টিন ইস্যুটি আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও চাপের মুখে পড়েছে। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর অবস্থাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি যেকোনো সময় নতুন করে উত্তেজনায় রূপ নিতে পারে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কংগ্রেসের কিছু সদস্য তার মানসিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে “দ্য লেটেস্ট” পডকাস্টে গার্ডিয়ান ইউএস সম্পাদক বেটসি রিডের সঙ্গে আলোচনা করেছেন সাংবাদিক লুসি হাফ। আলোচনায় উঠে এসেছে ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য, তার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনো ইতিবাচক সম্ভাবনা আছে কি না—সেই প্রশ্নও।
সব মিলিয়ে, একদিকে আন্তর্জাতিক সংঘাত এবং অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিতর্ক—দুই দিকেই চাপের মুখে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন।
সূত্রঃ দ্য গার্ডিয়ান
এম.কে

