17.8 C
London
August 30, 2025
TV3 BANGLA
Uncategorized

খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘সিক্রেট চিঠি’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে তার পরিবার।

মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, খালেদা জিয়ার পরিবারের থেকে একটি ‘সিক্রেট চিঠি’ এসেছে। সময় সংবাদের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, মুক্তির বিষয়ে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে আইন মন্ত্রণালয়ে।

বেগম জিয়ার আইনজীবী জানান, সরকার চাইলে সাজা মওকুফও করতে পারেন। তবে দুদকের আইনজীবী বলছেন, আদালতের আদেশ ছাড়া সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত দেয়ার এখতিয়ার নেই।

দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বেগম জিয়ার সাজা স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এবার স্থায়ী মুক্তির আবেদন করেছে তার পরিবার। শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করেন বেগম জিয়ার ছোটভাই শামিম ইস্কান্দার।

জানা গেছে, আবেদনে উল্লেখ করা হয়, করোনা পরিস্থিতির কারণে তার শারীরিক অসুস্থতার কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি। তাই আবারো সাজা মওকুফের আবেদন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল

এ বিষয়ে জানতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের। তিনি জানান, তারা সিক্রেট চিঠি দিয়েছে, এটা আমাদের পক্ষে প্রকাশ করা সম্ভব না। তবে, একটা বক্তব্য দিয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, তার (খালেদা জিয়া) স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হচ্ছে, সেটা বাড়ানোর কথা রয়েছে।

পরবর্তী প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে সরকারের ওপর বেগম জিয়ার স্থায়ী মুক্তি নির্ভর করছে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, তার (বেগম জিয়া) চিঠিটার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আইন-মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহাবুবর রহমান

অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহাবুবর রহমান বলেন, যে উদ্দেশে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে; তা উচ্চতর চিকিৎসা। সেটার করোনা কারণে সম্ভব হয়নি। স্বাভাবিকভাবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়; তাহলে মানবিক কারণে সেটা সম্পূর্ণভাবে মওকুফ করা যেতে পারে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা বিদেশে বিভিন্ন জায়গা খোঁজ-খবর নিয়েছি; সেখানে এটার চিকিৎসা হয়। তবে তিনি যাবেন কি-না, সেটা নির্ভর করছে তার (খালেদা জিয়া) ইচ্ছার ওপর।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম

দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেন, বিচারাধীন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্ষেত্রে সরকার-তো বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা করার জন্য আদেশ দেওয়ার জন্য এখতিয়ার রাখে না। এ আবেদনগুলো আইনের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়।

গত ২৫ মার্চ দুই শর্তে মানবিক কারণে সরকারের নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিতাদেশের পর ছয় মাসের জন্য মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সেই সাজার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর।

দুর্নীতির মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুযারি দণ্ডিত হয়ে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে যান বেগম জিয়া। এরপরই অসুস্থতার কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।


সূত্র: সময় সংবাদ

২৯ আগিস্ট ২০২০
এনএইচটি

আরো পড়ুন

No Human is Illegal ll 23 September 2020 ll Amnesty for Undocumented people

একটু সহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারে না ll Barrister Ataur Rahman with TV3 Bangla

বোরিস জনসনের ছুটি উদযাপন নিয়ে বিতর্ক

অনলাইন ডেস্ক