ড. ইউনুস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল ছিল। কি আলোচনা হয়েছে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সাথে সেটা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। তবে সমালোচকদের মতে এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে ড. ইউনুস তার প্রতিবেশী দেশের প্রধানের সাথে সম্পর্ক গড়তে এক পা এগিয়ে গেলেন। যা বাংলাদেশের সাবেক ফেসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার জন্য শেষ পেরেকঠোকা বলা যায়।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন বলে তথ্যমতে জানা যায়। তিনি ইউনূসের কাজের প্রশংসা করেছেন। বৈঠকে তিনি এক পর্যায়ে বলেন, যদিও ভারতের শেখ হাসিনার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল, “আমরা তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি। কিন্তু আমরা আপনাকে সবসময় সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে গেছি।”
তাছাড়া যখন ড. ইউনূস শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়টি উত্থাপন করেন, তখন প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক ছিল না বলে জানান বাংলাদেশ সরকারের প্রেস সচিব। সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, আমরা আশাবাদী, একদিন হাসিনাকে ঢাকায় প্রত্যর্পণ করা হবে এবং আমরা শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিচার প্রত্যক্ষ করব।
তিনি আরো জানান, বৈঠকে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন পথ বেছে নিতে চায়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে একাধিকবার অধ্যাপক ইউনূসকে বলেছেন, ভারতের সম্পর্ক হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে—কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির সঙ্গে নয়।
উল্লেখ্য যে ড. ইউনূস সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একাধিকবার জানিয়েছিলেন, ভারতের সঙ্গে “সর্বোত্তম সম্পর্ক” চা বাংলাদেশ। তবে সেটা হতে হবে ন্যায্যতা, সমতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে।
সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া
এম.কে
০৫ এপ্রিল ২০২৫