3.5 C
London
March 21, 2026
TV3 BANGLA
আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুর ভিডিওতে এক হাতে ছয় আঙুল দেখে নানা সংশয়

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গত শুক্রবারের একটি ভিডিও দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও এআই দিয়ে সম্পাদনা করা কিনা।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ব্যবহারকারীরা তার শুক্রবারের (১৩ মার্চ) সর্বশেষ ভিডিওতে একটি বিশেষ অসংগতি লক্ষ করেন। ভিডিওতে তার এক হাতে ছয়টি আঙুল আছে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি করার সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

শুক্রবার নেতানিয়াহু ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন, যা বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ শনিবার যুদ্ধের ১৫তম দিন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে আগ্রাসনের প্রথম দিনেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।

ব্যবহারকারীরা দাবি করেন, নেতানিয়াহুর ওই ভিডিওতে তার ডান হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যাচ্ছে। ‘ক্ল্যাসিক এআই ফিঙ্গার গ্লিচ’ লিখে পোস্ট করা এই ভিডিওগুলো লাখ লাখ মানুষ দেখছেন। অনেক ব্যবহারকারী দাবি করছেন, তিনি আসলে মারা গেছেন। তবে এক্সের এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ ফ্যাক্ট চেক করে এসব মন্তব্যকে ভুয়া বলে উল্লেখ করেছে।

হিব্রু ভাষায় এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘হে বিবি, আপনি কি এতই বিশেষ যে আপনার ছয়টি আঙুল? নাকি আপনি অনেক আগেই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন?’

এই উদ্বেগের তালিকায় যোগ দিয়েছেন মার্কিন রক্ষণশীল রাজনৈতিক বিশ্লেষক ক্যান্ডাস ওয়েনস। তিনি তার ডাক নাম ধরে প্রশ্ন করেছেন, ‘বিবি কোথায়?’

একটি পোস্টে ওয়েনস লিখেছেন, ‘কেন তার অফিস থেকে ভুয়া এআই ভিডিও প্রকাশ করে আবার ডিলিট করা হচ্ছে এবং হোয়াইট হাউসে কেন এত আতঙ্ক?’

এক্সের এআই চ্যাটবট গ্রোক ছয় আঙুলের এই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছে, ‘না, অন্য সবার মতো নেতানিয়াহুরও প্রতি হাতে পাঁচটি করে আঙুল আছে। ভিডিওতে তিনি পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিকভাবে আঙুল দিয়ে ইশারা করছিলেন। লাল বৃত্ত ও ক্যামেরার অ্যাঙ্গেলের কারণে একটি অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টিবিভ্রম তৈরি হয়েছে, যা দেখতে অস্বাভাবিক লাগছে। ছবিটি সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও থেকে নেওয়া।’

অন্য একটি পোস্টের জবাবে গ্রোক লিখেছে, ‘নেতানিয়াহু জীবিত আছেন। ইরানি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়েছে, যা স্নোপস, টাইমস অব ইসরাইল এবং অন্যরা ভিত্তিহীন তথ্য বলে দাবি করেছে। কেবল ভেরিফায়েড সূত্রের ওপর ভরসা রাখুন।’

‘ক্রেমলিন’ নামের একটি পেজ (যার সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই) মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের একটি সংবাদ সম্মেলন থেকে হঠাৎ চলে যাওয়া এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে আসার ঘটনাটি উল্লেখ করেছে।

একই সঙ্গে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের দিকেও সবার নজর পড়েছে। সচরাচর এক্সে বেশ সক্রিয় থাকলেও ইয়ার নেতানিয়াহু গত ৯ মার্চের পর আর কোনো পোস্ট শেয়ার করেননি।

সূত্রঃ এনডিটিভি

এম.কে

আরো পড়ুন

পাকিস্তানের প্রশংসা করলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীঃ রিপোর্ট

ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে লাফিয়ে উঠলেন ইলন মাস্ক, দিলেন সমর্থন

প্রথমবারের মতো রমজানে আলোকসজ্জা হবে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে