আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর ‘পেন্টাগন’-এর একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল ফাঁসের প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটেন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ব্রিটিশ ভূখণ্ড এবং এর সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপসের সুযোগ নেই।
শুক্রবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, ফকল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব যুক্তরাজ্যের হাতেই ন্যস্ত। তিনি বলেন, “দ্বীপবাসীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আমাদের কাছে সবার আগে। এই অবস্থান আমরা বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে আসছি।”
ঘটনার সূত্রপাত পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইলকে কেন্দ্র করে। সেখানে প্রস্তাব করা হয়েছিল যে, ইরান ইস্যুতে ব্রিটেনের অবস্থানের কারণে শাস্তি হিসেবে ওয়াশিংটনের উচিত ফকল্যান্ড নিয়ে তাদের দীর্ঘদিনের নিরপেক্ষ অবস্থান পরিবর্তন করা। অর্থাৎ, দ্বীপপুঞ্জটির ওপর আর্জেন্টিনার দাবিকে সমর্থনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল ওই ইমেইলে।
উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ব্রিটেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যাতে ব্রিটেনের বিজয় নিশ্চিত হয়েছিল। তবে আর্জেন্টিনা আজও দ্বীপটিকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। পেন্টাগনের এই ইমেইল ফাঁসের পর লন্ডন ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্রঃ এপি
এম.কে

