TV3 BANGLA
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পেট্রোল-অকটেনের বড় অংশই উৎপাদন হয় সিলেটে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্ববাজারে তেলের অস্থিরতার সুযোগে বাংলাদেশে এক শ্রেণির ভোক্তার মাঝে মজুত করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি তেল নিয়ে দেশজুড়ে এক ধরনের কৃত্রিম সংকট ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজেল আমদানিনির্ভর হলেও পেট্রোল ও অকটেনের একটি বড় অংশ দেশেই উৎপাদন হচ্ছে, যার সিংহভাগই আসে সিলেট থেকে। ফলে দেশে পেট্রোল ও অকটেনের কোনো বাস্তব সংকট নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বাংলাদেশের মোট চাহিদার প্রায় ৫০ শতাংশ পেট্রোল এবং ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ অকটেন সিলেটে উৎপাদন হয়। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতাধীন দুটি ফ্র্যাকশনেশন প্ল্যান্ট এবং চারটি বেসরকারি রিফাইনারিতে গ্যাস উত্তোলনের সময় উপজাত হিসেবে পাওয়া ‘কনডেনসেট’ থেকে এসব জ্বালানি তৈরি হয়। হবিগঞ্জে অবস্থিত এসজিএফএল-এর প্ল্যান্টে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে চার হাজার ব্যারেল কনডেনসেট প্রক্রিয়াজাত করে ৪২০ মেট্রিক টন পেট্রোল, ৭৪ মেট্রিক টন অকটেনসহ ডিজেল ও কেরোসিন উৎপাদন হচ্ছে।

এসজিএফএল-এর মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী জীবন শান্তি সরকার জানান, দেশে পেট্রোল আমদানির প্রয়োজন হয় না। ইস্টার্ন রিফাইনারি এবং দেশীয় প্ল্যান্টগুলোর উৎপাদন দিয়েই চাহিদা মেটানো সম্ভব। তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা সিলেটের বিপণন কর্মকর্তা সৈয়দ আলম বলেন, ভোক্তাদের মাঝে এক ধরনের ‘প্যানিক’ বা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সিলেটে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে, অথচ মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে ট্যাংকি পূর্ণ করে রাখছে। এই মজুত মানসিকতাই অস্থিরতার মূল কারণ।

সিলেট বিভাগে ১১৪টি পাম্পে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে ২০২৫ সালের চাহিদার ভিত্তিতে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ করায় স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সীমাবদ্ধতা দেখা দিলেও তা মূলত অতিরিক্ত চাহিদার কারণেই হচ্ছে। সচেতন মহলের মতে, তথ্যগত ঘাটতি ও বিদেশের যুদ্ধের খবরে আতঙ্কিত হয়ে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে। প্রকৃতপক্ষে দেশে পেট্রোল ও অকটেনের জ্বালানিশূন্য হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

সূত্রঃ ইনকিলাব

এম.কে

আরো পড়ুন

বাংলাদেশে প্লট দুর্নীতি মামলার রায় প্রশ্নবিদ্ধ, লেবারের পূর্ণ সমর্থন টিউলিপের পাশে

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ ও ড. ইউনূসকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের, সম্পর্ক জোরদারের বার্তা

চীন ভারতে আবদ্ধ কি বাংলাদেশের স্বাধীনতা