TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থী হোটেল বন্ধের উদ্যোগে বিতর্ক, ক্রাউবরো পরিকল্পনায় বিলম্ব

ইস্ট সাসেক্সের ক্রাউবরোতে অবস্থিত একটি সাবেক সামরিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সাময়িকভাবে ৫৪০ জন আশ্রয়প্রার্থীকে রাখার পরিকল্পনা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২০২৬ সালের আগে নেওয়া হবে না। উইলডেন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল জানিয়েছে, সরকার স্পষ্ট করেছে যে চলতি বছরে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসছে না।

হোম অফিস আগে নিশ্চিত করেছিল, আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসনের জন্য হোটেল ব্যবহারের অবসান ঘটাতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ক্রাউবরো আর্মি ট্রেনিং ক্যাম্প ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এ ঘোষণার পর শহরজুড়ে একাধিক প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

মঙ্গলবার উইলডেন ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল জানায়, সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয়েছে যে পরিকল্পনাটি নিয়ে আরও সময় নেওয়া হবে এবং ২০২৬ সালের আগে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না। কাউন্সিল ১১ ডিসেম্বর হোম অফিসে পাঠানো এক চিঠিতে জানায়, তারা ক্রাউবরো ক্যাম্পে আশ্রয়প্রার্থীদের রাখার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, ‘ক্রাউবরো শিল্ড’ নামে স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি সংগঠন এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ শুরু করেছে। তাদের দাবি, প্রস্তাবিত উদ্যোগটি স্থানীয় অবকাঠামো ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

হোম অফিস জানিয়েছে, তারা নির্দিষ্ট কোনো আশ্রয়প্রার্থী আবাসন কেন্দ্র নিয়ে মন্তব্য করে না। তবে এক মুখপাত্র বলেন, অবৈধ অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থী হোটেলের সংখ্যা নিয়ে সরকার ক্ষুব্ধ এবং এই সরকার সব আশ্রয়প্রার্থী হোটেল বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি জানান, সম্প্রদায়ের ওপর চাপ কমাতে এবং ব্যয় হ্রাস করতে আরও উপযুক্ত স্থান চিহ্নিত করার কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।

হোম অফিসের ভাষ্য অনুযায়ী, এ লক্ষ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, সম্পত্তি অংশীদার এবং সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে, যাতে আশ্রয়প্রার্থী আবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা যায়।

সূত্রঃ বিবিসি

এম.কে

আরো পড়ুন

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে ইসরায়েলি চিকিৎসা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ব্রিটিশ বিএমএ

ব্রিটেনে রেস্তোরাঁর উচ্ছিষ্ট খাবার দিয়ে ‘অবৈধ শ্রমিকদের’ বেতন পরিশোধ

অনলাইন ডেস্ক

অবৈধ অভিবাসীদের দমন অভিযান জোরদারঃ পুলিশের ক্ষমতা পাচ্ছেন ইমিগ্রেশন অফিসাররা