যুদ্ধবিরতি ঘোষণা সত্ত্বেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানিয়েছে এথেন্সভিত্তিক মেরিন ট্রাফিক। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত মাত্র ১৪টি জাহাজ ওই প্রণালী অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে অর্ধেকেরও কম ছিল পণ্যবোঝাই।
মেরিন ট্রাফিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, উপসাগর থেকে বের হওয়া জাহাজগুলোর সংখ্যা মোট চলাচলের প্রায় ৭০ শতাংশ। পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত বা তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো মোট ক্রসিংয়ের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে আছে।
সংঘাত শুরুর আগে প্রতিদিন ১০০টিরও বেশি জাহাজ এই প্রণালী ব্যবহার করত, যার অধিকাংশই এশিয়ার দিকে তেল পরিবহনে নিয়োজিত ছিল। ফলে সাম্প্রতিক এই পতন বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য প্রবাহে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা আরও বেড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবারের হামলায় মৃতের সংখ্যা ৩০৩ থেকে বেড়ে ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১,২২৩ জন।
ইসরায়েল দাবি করেছে, এসব হামলায় তারা অন্তত ১৮০ জন যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত চলাকালে লেবানন থেকে হিজবুল্লাহ প্রায় ৩০টি প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ করেছে এবং তারা এখন পর্যন্ত হিজবুল্লাহর ৪,৩০০টিরও বেশি স্থাপনা ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও সামুদ্রিক বাণিজ্যপথে অস্থিরতা এবং স্থলযুদ্ধের উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সূত্রঃ দ্য গার্ডিয়ান
এম.কে

