11.9 C
London
February 26, 2026
TV3 BANGLA
আন্তর্জাতিক

সিএনএনের বিশ্লেষণঃ ইরানে হামলা করলে ইরাক-ফাঁদে পড়তে পারেন ট্রাম্প

ইরাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মার্কিন এস্টাবলিশমেন্ট নেতাদের ওপর জনমানুষের আস্থা চরমভাবে ভেঙে পড়েছিল। সেটি না হলে ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়তো কখনোই দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন না।

তাই এটি বেশ বিড়ম্বনার বিষয় যে, তিনি এখন সেইসব আলঙ্কারিক অবস্থান এবং কৌশলগত ভুলগুলোই অনুকরণ করছেন, যা ২০০৩ সালের পর প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে মধ্যপ্রাচ্যে এক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।

খবর অনুযায়ী, ইরানে হামলা চালানো হবে কিনা সে বিষয়ে ট্রাম্প এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। কিন্তু বর্তমানে ওই অঞ্চলে তার বিশাল নৌ ও বিমান বাহিনীর উপস্থিতি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাত করা ইরাক আক্রমণের পর থেকে সব থেকে বড় সামরিক সমাবেশ। এটি বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় পুনরায় শুরু হতে যাওয়া সংকটকালীন আলোচনায় ইরানকে পিছু হটতে বাধ্য করার জন্য একটি বাড়তি চাপ হিসেবে কাজ করতে পারে। কিন্তু বিশাল কোনো কূটনৈতিক সাফল্য ছাড়া, এক রাউন্ড গুলি না চালিয়েই এমন এক বিশাল বাহিনীকে দেশে ফিরিয়ে আনা ট্রাম্পের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করবে।

ট্রাম্প প্রশাসন গড়ে উঠেছিল ‘মাগা’ তথা আমেরিকাকে আবার সেরা করার আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে, যাদের বিদেশি যুদ্ধে জড়ানোর প্রতি এক ধরণের চরম অনীহা আছে। সম্ভবত একারণেই তারা যে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে, তার পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সুসংগত যুক্তি তুলে ধরতে পারেনি।

তবে এই পদ্ধতির নেতিবাচক দিকটি হলো—আমেরিকার সামরিক বাহিনী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকলেও, সাধারণ জনগণ মোটেও প্রস্তুত নয়।

ইরাক আক্রমণের আগে বুশ কয়েক মাস সময় নিয়ে যুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠন করেছিলেন—যদিও তা ছিল ত্রুটিপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য এবং মিথ্যা ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত কেবল অস্পষ্ট এবং বিভ্রান্তিকর ন্যায্যতা দিয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে তার ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণে ট্রাম্প কিছুটা স্পষ্টতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যদিও তা তাকে আরও কোণঠাসা করে ফেলতে পারে।

তিনি প্রথাগত প্রেসিডেন্টদের মতোই সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন যে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দেওয়া হবে না। তবে তার এ বক্তব্য তার উদ্দেশ্য এবং সততা নিয়ে সন্দেহ জাগিয়েছে, কারণ গত বছরই তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘নির্মূল’ করে দিয়েছেন। ট্রাম্প ইরাকে ইরান-ঘনিষ্ঠ ছদ্মবেশী বাহিনীর হাতে শত শত মার্কিন সৈন্যের মৃত্যুর কথাও তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি ইরানি বিক্ষোভকারীদের ওপর সাম্প্রতিক নৃশংস দমন-পীড়নের নিন্দা জানান, যেখানে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারে।

তবে ইতিহাসের প্রতিধ্বনি সব থেকে জোরালো হয়ে ওঠে যখন তিনি ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের দিকে নজর দেন। ট্রাম্প বলেন, তারা ইতোমধ্যে এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে, যা ইউরোপ এবং আমাদের বিদেশের ঘাঁটিগুলোকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে এবং তারা এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ করছে, যা খুব শিগগির যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

তিনি হয়তো ইরানের সক্ষমতাকে বাড়িয়ে বলছেন। কিন্তু নিজ দেশের ওপর হুমকির কথা উল্লেখ করে তিনি বুশ প্রশাসন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সরকারের সেই বিতর্কিত পথটিই অনুসরণ করলেন, যা তারা ইরাক যুদ্ধকে জায়েজ করতে ব্যবহার করেছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার একই ধরণের সতর্কতা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখছেন তারা তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বা রেঞ্জ বাড়িয়ে চলেছে এবং স্পষ্টতই তারা এমন পথে এগোচ্ছে যাতে একদিন তারা আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম অস্ত্র তৈরি করতে পারে। আমাদের কথা বলার এই মুহূর্তেই তাদের কাছে এমন অস্ত্র আছে যা ইউরোপের অনেকটা অংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম। আর প্রতি বছর এই পাল্লা জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে, যা সত্যিই বিস্ময়কর।’

২০০২ সালে বুশ বলেছিলেন যে সৌদি আরব, ইসরাইল, তুরস্ক এবং অন্যান্য দেশে অবস্থানরত মার্কিন বেসামরিক নাগরিকরা ইরাকি ক্ষেপণাস্ত্রের ঝুঁকিতে আছে। তিনি এমনকি দাবি করেছিলেন যে, ইরাক এমন ড্রোন ব্যবহারের উপায় খুঁজছে যা ‘যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে মিশনে’ রাসায়নিক এবং জৈবিক উপাদান ছড়িয়ে দিতে পারে। একই বছর, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি ন্যাশভিলে সতর্ক করেছিলেন যে, ইরাক মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হুমকি দিচ্ছে এবং এমন সব ডেলিভারি সিস্টেম খুঁজছে যা শেষ পর্যন্ত ‘যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশকে পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইলের’ শিকার করতে পারে।

মিসাইল নিয়ে এই ভীতি প্রদর্শনই ইরাক যুদ্ধের নস্টালজিয়ার একমাত্র কারণ নয়। বুশ প্রশাসনের অন্যতম বড় ব্যর্থতা ছিল যুদ্ধের পরবর্তী পরিস্থিতির পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে চরম অবহেলা, যা পরবর্তীতে সাম্প্রদায়িক বিভাজন এবং বিদ্রোহের জন্ম দিয়েছিল।

ইরান সম্ভবত ইরাকের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী রাষ্ট্র। কিন্তু ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করতে মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের ফলে কী ঘটতে পারে, সে সম্পর্কে ট্রাম্প এখনও আমেরিকানদের কাছে স্পষ্ট কিছু বলেননি।

জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন তেহরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ফলাফল কী হবে তা অনুমান করতে পারছেন না। বিভিন্ন সূত্র এ মাসের শুরুতে জানিয়েছিল যে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করে, নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণের সবচেয়ে বড় দাবিদার হবে কট্টরপন্থী ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস। তাই তেহরানের ধর্মতাত্ত্বিকদের হঠানো হয়তো কেবল সমানভাবে উগ্র এবং মার্কিন-বিরোধী একটি বিকল্পের দিকেই নিয়ে যাবে, যা মার্কিন বা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কোনো দৃশ্যমান উন্নতি আনবে না।

এ বছরের শুরুতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ইতিহাস আছে। কিন্তু ওয়াশিংটনের স্বার্থে কাজ করতে বাধ্য করার জন্য ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের মতো কোনো ইরানি সমকক্ষ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

প্রতিপক্ষ কেমন আচরণ করবে সে বিষয়ে ভুল হিসাব-নিকাশের কারণে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি প্রায়শই হোঁচট খেয়েছে। ওয়াশিংটনের যুক্তি অনেক সময় মধ্যপ্রাচ্যের তপ্ত এবং ধূলিময় বাতাসের সংস্পর্শে এসে বিলীন হয়ে যায়।

বর্তমান প্রশাসনও একই ধরনের ভুল বোঝাবুঝিতে ঘেরা বলে মনে হচ্ছে। অথচ গত বছর সৌদি আরবে ট্রাম্প নিজেই সতর্ক করে বলেছিলেন যে, ইরাক যুদ্ধের সময়ের ‘হস্তক্ষেপকারীরা এমন জটিল সমাজে হস্তক্ষেপ করেছিল যা তারা নিজেরাও বুঝত না।’

এই মাসে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন যে, কেন ইরান কেবল তার চাপের কাছে নতি স্বীকার করছে না, তা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বুঝতে পারছেন না। ফক্স নিউজকে উইটকফ বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) কৌতুহলী যে কেন তারা এখনও আমি ‘ক্যাপিচুলেট’ বা আত্মসমর্পণ শব্দটি ব্যবহার করতে চাই না, তবে কেন তারা আত্মসমর্পণ করেনি।’

উইটকফ আরও বলেন, এই চাপের মধ্যে, সেখানে এত পরিমাণ নৌ ও সামুদ্রিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও, কেন তারা আমাদের কাছে এসে বলেনি যে—আমরা স্বীকার করছি, আমরা কোনো অস্ত্র চাই না, তাই আমরা এই এই কাজগুলো করতে প্রস্তুত?

এর একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে—ইরান দেখেছে লিবিয়ার মুয়াম্মার গাদ্দাফির মতো একনায়কদের নৃশংস পতন, যাদের কাছে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছিল না। তাই নিজেদের শাসনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার নিশ্চয়তা হিসেবে তারা কেন অস্ত্র রাখতে চাইবে, তা বুঝতে রকেট সায়েন্টিস্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই।

ইরাক যুদ্ধকে একটি সহজ বিষয় মনে করা হয়েছিল এবং আশা করা হয়েছিল, মার্কিন সৈন্যদের মুক্তিদাতা হিসেবে স্বাগত জানানো হবে। ২০ বছরেরও বেশি সময় পরে, কেইন যখন যুদ্ধের জটিলতা নিয়ে জোর দিচ্ছেন, তখন সেই রিপোর্ট উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধকেও একটি সহজ জয় হিসেবে দেখছেন। সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যদি সামরিক স্তরে ইরানের বিরুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে তার (কেইন) মতে এটি সহজেই জয় করা যাবে।’

তবে কূটনীতি এখনও শেষ হয়ে যায়নি। উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা তথা ফ্রিল্যান্স ফিক্সার জ্যারেড কুশনার ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৃহস্পতিবারের আলোচনায় নেতৃত্ব দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

কূটনীতির ফলাফল নির্ভর করতে পারে ইরান ট্রাম্পকে এমন কোনো ছাড় দিতে প্রস্তুত কিনা, যা তিনি একটি বড় ধরনের বিজয় বা আত্মসমর্পণ হিসেবে প্রচার করতে পারবেন।

তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা অস্ত্র তৈরির উপাদানের মজুত কমানোর বিষয়ে সমঝোতার কিছু ইঙ্গিত দিয়েছে। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়টি এই চুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তাছাড়া ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতাও আছে। তিনি এমন কোনো পারমাণবিক চুক্তি গ্রহণ করতে পারেন না যা ওবামা আমলের চুক্তির মতো মনে হয়, যেটিকে তিনি নিজেই এক সময় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। অবশ্য পরাজয়কে জয়ে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি ওস্তাদ—যেমনটা জানুয়ারিতে ইউরোপ যখন গ্রিনল্যান্ড হস্তান্তরের দাবি নাকচ করে দেয়, তখনও তিনি তাই করেছিলেন। তবে ইরান কোনো মোহে থাকবে না। দিনশেষে, বর্তমান সংঘাতের এমন যেকোনো ফলাফল যা তাদের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখবে, সেটিই তেহরানের জন্য জয়।

এ কারণেই ট্রাম্পের কাছে সামরিক পদক্ষেপ এত প্রলুব্ধকর হতে পারে, যদিও এতে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানি এবং ব্যাপক বেসামরিক হতাহতের সম্ভাবনা আছে।

যুক্তরাষ্ট্র যদি কখনো তার চিরশত্রুকে আঘাত করতে চায়, তবে এখনই হতে পারে সেই মুহূর্ত—কারণ ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানের আঞ্চলিক সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কগুলো বিধ্বস্ত এবং দেশটির ভেতরে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নির্মূল করা কেবল ইসরাইলকেই রক্ষার বিষয় নয়। এটি মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র বদলে দিতে পারে এবং ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জোয়ার আনতে পারে।

এটি ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির একটি মূল লক্ষ্য। গত বছর সৌদি আরবে তিনি বলেছিলেন, ‘এত দশকের সংঘাতের পর, অবশেষে এমন একটি ভবিষ্যৎ আমাদের নাগালের মধ্যে যা আমাদের আগের প্রজন্ম কেবল স্বপ্নই দেখতে পারত—মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, নিরাপত্তা, সম্প্রীতি এবং অর্জনের একটি ভূমি।’

ইরানের শাসনব্যবস্থা ধ্বংস করা বিক্ষোভকারীদের কাছে ট্রাম্পের দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে যেখানে তিনি বলেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র তাদের রক্ষা করতে ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ অবস্থায় আছে। এটি চীনকেও তার প্রভাবের বলয় থেকে আরও একজন সদস্যকে হারানোতে বাধ্য করবে।

সুতরাং, ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে মার্কিন সামরিক বিপর্যয়গুলো অশুভ ইঙ্গিত দিলেও, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারেন।

তিনি হতে চান সেই প্রেসিডেন্ট যিনি আয়াতুল্লাহদের ক্ষমতাচ্যুত করেছেন—এমন এক কৃতিত্ব যা জিমি কার্টার, রোনাল্ড রেগান, জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ, বিল ক্লিনটন, জর্জ ডব্লিউ বুশ, বারাক ওবামা এবং জো বাইডেন কেউই অর্জন করতে পারেননি। ইতিহাসে নিজের নাম খোদাই করতে মরিয়া একজন কমান্ডারের জন্য এটি একটি বিশাল উত্তরাধিকার হতে পারে।

সূত্রঃ সিএনএন

এম.কে

আরো পড়ুন

নোবেল বিজয়ী অস্কার আরিয়াসের মার্কিন ভিসা বাতিল

মার্কিন নাগরিকত্ব রেখে অন্য দেশের নীতিনির্ধারণে অংশ নেওয়া যাবে না

অস্ট্রেলিয়ায় যেতে ইচ্ছুকদের জন্য দুঃসংবাদ