19.5 C
London
September 27, 2026
TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

হিটিং চালুর আগে করুন এই ছোট পরীক্ষাঃ শীতে বাঁচতে পারে ব্রিটেনের পরিবারের শত শত পাউন্ড

ব্রিটেনের পরিবারগুলোকে শীতের আগে ঘরের হিটিং চালু করার পূর্বে একটি সহজ পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একটি এ-ফোর সাইজ কাগজ ব্যবহার করে দরজা ও জানালার ফ্রেমে ঠান্ডা বাতাস ঢোকার পথ বা ফাঁক রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা যেতে পারে।

অক্টোবরে ব্রিটেনের এনার্জি নিয়ন্ত্রক অফজেমের এনার্জি প্রাইস ক্যাপ ৪ শতাংশ বাড়বে। বিশ্লেষকদের ধারণা, নতুন বছরের শুরুতে আরও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি হতে পারে।

ডাইরেক্ট ডেবিটের মাধ্যমে গ্যাস ও বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করা একটি সাধারণ পরিবারের ক্ষেত্রে বার্ষিক এনার্জি বিল ১ হাজার ৬৬৩ পাউন্ড থেকে বেড়ে ১ হাজার ৭২৩ পাউন্ড হতে পারে। অর্থাৎ বছরে অতিরিক্ত ৬০ পাউন্ড বা মাসে প্রায় ৫ পাউন্ড বেশি খরচ হবে।

শীত সামনে রেখে এনার্জি বিল কমানোর উপায় খুঁজতে গিয়ে এক বাড়ির মালিক রেডিটে তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তার দাবি, মাত্র একটি এ-৪ কাগজ ব্যবহার করে দরজা ও জানালার ফ্রেমের ফাঁক শনাক্ত করার পর প্রায় ৫০ পাউন্ড খরচে ঘরকে আগের তুলনায় উষ্ণ রাখা সম্ভব হয়েছে।

রেডিট ব্যবহারকারী u/epicmindwarp জানান, শীতকালে তার বাড়ির ভেতরের তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেত এবং তিন ঘণ্টা হিটিং চালানোর পরও তা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠতে কষ্ট হতো।

তিনি বলেন, এনার্জি পরিস্থিতির কারণে শীতকালে খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হয়েছিল।

বাড়ির ঠান্ডা জায়গাগুলো পরীক্ষা করার সময় তিনি জানালা ও দরজার ফ্রেমের চারপাশে খুব হালকা বাতাস প্রবাহিত হতে দেখেন। পরে তিনি বুঝতে পারেন, পুরোনো হয়ে যাওয়ায় পিভিসি রাবার সিলগুলো শক্ত হয়ে গেছে। ফলে সিল ও পিভিসির মধ্যে প্রায় ১ মিলিমিটার ফাঁক তৈরি হচ্ছিল এবং সেখান দিয়ে ঠান্ডা বাতাস ঘরে ঢুকছিল।

তিনি অন্য বাড়ির মালিকদের দরজা ও জানালার সিল পরীক্ষা করতে একটি এ-৪ কাগজ ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। সিল ও ফ্রেমের মাঝখানে কাগজটি ঢুকিয়ে দেখা যেতে পারে। যদি কাগজটি সহজেই ভেতরে ঢুকে যায়, তাহলে সেই ফাঁক দিয়ে বাতাসও প্রবেশ করতে পারে বলে তিনি জানান।

ওই ব্যক্তি জানান, পুরোনো রাবার সিল পরিবর্তন করে নতুন সিল লাগানোর পর তার বাড়ির হলওয়ে আগের তুলনায় উষ্ণ অনুভূত হয়েছে। এ কাজে তার প্রায় ৫০ পাউন্ড খরচ হয়েছে।

তার দাবি, বাইরে তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও তিনি সেদিন মাত্র একবার হিটিং চালিয়েছিলেন। ঠান্ডা আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে সিল পরিবর্তনে খরচ করা অর্থ এক সপ্তাহের মধ্যেই সাশ্রয় হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, অর্থ সাশ্রয়ের প্রথম ধাপ হলো খরচ কমানো। তাই ঘরে ঠান্ডা বাতাস ঢোকার উৎস শনাক্ত করে তা বন্ধ করার ফলে তার বাড়িতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

সূত্রঃ এক্সপ্রেস ইউকে\এওএল ইউকে

এমকে

আরো পড়ুন

অন্তঃসত্ত্বা সাংবাদিককে হুমকির অভিযোগ টিউলিপের বিরুদ্ধেঃ দ্য টেলিগ্রাফ

যুক্তরাজ্যে বিদেশি চিকিৎসকদের নিয়োগ সীমিত করতে এনএইচএসে বড় সংস্কার

যুক্তরাজ্যের হিথ্রো বিমানবন্দরে আকস্মিক বন্যাঃ যাত্রীদের গাড়ি নয়, ট্রেনে যাওয়ার পরামর্শ