15.7 C
London
October 12, 2026
TV3 BANGLA
আন্তর্জাতিক

আটটি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার কথা ছিল আমার, অথচ একটিও পেলাম নাঃ ট্রাম্প

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, আটটি যুদ্ধ বন্ধে ভূমিকা রাখার কারণে তার আটটি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল। অথচ একটি পুরস্কারও না পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নাভানেথেম নাভি পিল্লাইয়ের সমালোচনাও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে দৈনিক ইত্তেফাক জানিয়েছে, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশ করা দুটি দীর্ঘ পোস্টে নিজের ক্ষোভের কথা তুলে ধরেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি দাবি করেন, একাধিক আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে তার ভূমিকা নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড, কসোভো ও সার্বিয়া, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো ও রুয়ান্ডা, ভারত ও পাকিস্তান, ইসরায়েল ও ইরান, মিশর ও ইথিওপিয়া, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এবং ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যকার সংঘাত বন্ধে তিনি ভূমিকা রেখেছেন। এসব উদ্যোগের কারণে তার আটটি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নাভানেথেম নাভি পিল্লাইকে নিয়েও কটাক্ষ করেন ট্রাম্প। তার দাবি, ইসরায়েলের প্রতি বিরূপ অবস্থান ছাড়া পিল্লাইয়ের কাজ সম্পর্কে তিনি তেমন কিছু জানেন না। পিল্লাই কী করেছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তার মতে, এই সংঘাত বন্ধে ভূমিকা রাখার বিষয়টি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল। যেসব দেশের মধ্যে সংঘাত নিরসনে তিনি সহায়তা করেছেন বলে দাবি করছেন, সেসব দেশের নেতা ও সরকারপ্রধানেরা নোবেল কমিটির কাছে তার পক্ষে সুপারিশপত্র পাঠিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

পাকিস্তানও ট্রাম্পের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার দাবিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মিশরে অনুষ্ঠিত গাজা শান্তি সম্মেলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ভারত-পাকিস্তান সংঘাত নিরসনে ভূমিকার জন্য ট্রাম্পের নাম সুপারিশ করার পাশাপাশি গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্যও তার নাম সুপারিশ করতে চান বলে জানিয়েছিলেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ন্যাটোর সদস্যদেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পেছনেও তার ভূমিকা রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সদস্যদেশগুলোর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর মাধ্যমে জোটের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার হয়েছে। এ উদ্যোগের কৃতিত্বও নিজের বলে দাবি করেন তিনি।

নিজের পোস্টে নোবেল শান্তি পুরস্কারের মর্যাদা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প। তার অভিযোগ, গণতন্ত্রবিরোধী ও সভ্যতার শত্রু হিসেবে অভিহিত কিছু উগ্র মতাদর্শী গোষ্ঠীর কারণে পুরস্কারটি তার মর্যাদা হারিয়েছে।

সূত্রঃ ট্রুথ সোশ্যাল

এমকে

আরো পড়ুন

জাংনান নাকি অরুনাচল? চীন-ভারত সীমান্তে ফের দাবিদাওয়ার সংঘাত

ভারতের ব্যাংকে গরুর মাংসে নিষেধাজ্ঞা, ‘বিফ ফেস্ট’ আয়োজন করে প্রতিবাদ কর্মীদের

বিশ্বক্রীড়া, রাজনীতি ও জনমতের পরিবর্তন: আর্জেন্টিনা বিতর্ক থেকে বৈশ্বিক ক্রীড়া রাজনীতির নতুন বাস্তবতা