যুক্তরাজ্যের হোলবর্ন ও সেন্ট প্যানক্রাস আসনের উপনির্বাচনের আগে রিফর্ম ইউকে-কে সমর্থনের দিকে ঝুঁকছেন এক মাইগ্র্যান্ট নারী। আগে নিয়মিত লেবার পার্টিকে ভোট দেওয়া ওই নারী বলেছেন, তার মনে হচ্ছে ইংরেজ জনগণকে অনেকটা ভুলে যাওয়া হচ্ছে।
ডেইলি এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যামডেনে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলার সময় ওই নারী নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তনের কথা জানান। তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, আগে লেবার পার্টিকে ভোট দিতেন, কারণ দলটি কীভাবে কাজ করে এবং সংখ্যালঘু ও মাইগ্র্যান্টদের কীভাবে সমর্থন করে, তা তিনি বিশ্বাস করতেন।
তবে বর্তমানে লেবারের অবস্থান আগের মতো স্পষ্ট মনে হচ্ছে না বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, তিনি এখন সত্যিই রিফর্ম ইউকে-কে ভোট দেওয়ার দিকে ঝুঁকছেন।
ওই নারী বলেন, সরকার সংখ্যালঘু ও মাইগ্র্যান্টদের পাশে দাঁড়াবে—এমন প্রত্যাশা করা হয়। কিন্তু একই সঙ্গে তার প্রশ্ন, ইংরেজ জনগণের কথা কী? তার মনে হচ্ছে, ইংরেজদের এক ধরনের ভুলে যাওয়া হচ্ছে।
রিফর্ম ইউকে-কে সমর্থনের কথা প্রকাশ্যে বলতে তিনি কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন বলেও জানান। তার মতে, একজন মাইগ্র্যান্ট রিফর্মকে সমর্থন করছেন বললে মানুষ তাকে বিচার করতে পারে। তিনি বলেন, তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি একজন মাইগ্র্যান্ট এবং কিশোর বয়সের শুরুতে যুক্তরাজ্যে এসেছিলেন।
তবে দীর্ঘ সময় যুক্তরাজ্যে থাকার পর এখন তিনি বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য শোনার এবং অন্য দিকের মানুষের অনুভূতিও বোঝার চেষ্টা করছেন বলে জানান।
এদিকে হোলবর্ন ও সেন্ট প্যানক্রাস আসনের উপনির্বাচনে গ্রিন পার্টির নেতা জ্যাক পোলানস্কি সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের আসনটি দখলের চেষ্টা করছেন। লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন সাগাল আবদি-ওয়ালি। ১৯৮৩ সালে আসনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি লেবার পার্টির দখলে রয়েছে।
সূত্রঃ ডেইলি এক্সপ্রেস
এমকে

