ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ২০১৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত ব্রেক্সিট গণভোটের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দীর্ঘ কয়েক বছর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর স্টার্লিংয়ের এই উত্থানকে মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের পুনরুদ্ধার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাউন্ডের কার্যকর বিনিময় হার সূচক (স্টার্লিং ইফেকটিভ এক্সচেঞ্জ রেট ইনডেক্স) বেড়ে ৮৬ দশমিক ৫৪-তে পৌঁছেছে। ২০১৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের পর এটিই পাউন্ডের সর্বোচ্চ অবস্থান।
২০০৫ সালের পাউন্ডের মূল্যকে ১০০ ধরে এই সূচক নির্ধারণ করা হয়। বিশ্বের ১৮টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে পাউন্ডের সামগ্রিক মূল্য ও শক্তি পরিমাপ করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
পাউন্ডের এই মূল্যবৃদ্ধিতে ব্রিটিশ নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণ এবং বিদেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সুবিধা তৈরি হতে পারে। পাউন্ড শক্তিশালী হওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে তুলনামূলক বেশি বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে আমদানিকৃত পণ্যের ব্যয় কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এদিকে, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড আজ সুদের হার বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সুদের হার নিয়ে এই প্রত্যাশাও পাউন্ডের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে পাউন্ডের এই উত্থান ব্রিটেনের অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতির উন্নতির চূড়ান্ত প্রমাণ নয়; বরং আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে স্টার্লিংয়ের শক্তিশালী অবস্থানেরই প্রতিফলন।
সূত্রঃ বিবিস
এমকে

