ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের পরিবার আদালত দীর্ঘদিন ধরে নারী ও শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত নয় বলে সরকারিভাবে স্বীকার করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য সরকারের মন্ত্রী অ্যালিসন লেভিট বলেন, পরিবার আদালতে অনেক সময় কঠোর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক শুনানির কারণে ভুক্তভোগীরা মানসিক কষ্ট ভোগ করেন। তাই এখন এই সিস্টেমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
নতুন মডেলটি শিশু-কেন্দ্রিক এবং সমস্যা সমাধানমুখী। এর মাধ্যমে কেসের ঝামেলা কমানো হবে এবং শিশু ও পরিবারের কল্যাণকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এই পদ্ধতি এখন সমস্ত শিশু সম্পর্কিত কেসের জন্য মানদণ্ড হিসেবে চালু হবে।
মন্ত্রী লেভিট বলেন, “ইতিহাস দেখায় নারীরা ন্যায়বিচারে প্রায়শই ভুক্তভোগী হয়েছেন। তাদের জন্য ন্যায্য ব্যবস্থা আনা জরুরি। আমরা চাই যেন পরিবার আদালতের মাধ্যমে তারা পুনরায় মানসিক ক্ষতির মুখে না পড়ে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, নারীরা আগে ন্যায্য সুবিধা পেতেন না, তবে এখন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি করছে।
পরিবার আদালতের সংস্কারগুলির মধ্যে শিশু প্রভাব রিপোর্ট, আগেভাগে পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং গৃহ সহিংসতার অভিযোগ পরীক্ষা করার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত। নতুন পদ্ধতিতে কেস দ্রুত নিষ্পন্ন হবে, অপেক্ষার সময় কমবে এবং শিশু ও ভুক্তভোগীদের জন্য সুবিধা বাড়বে।
ন্যায় ও বিচার বিভাগের মন্ত্রী ডেভিড ল্যামি জানান, এই পদ্ধতিতে শিশুর কল্যাণ প্রথমে বিবেচনা করা হবে এবং কেসের সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া সম্ভব হবে। পাইলট প্রকল্পে দেখা গেছে, কেসের সময় অর্ধেকে কমেছে এবং পরিবার ও শিশুর জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সংস্কার শুধু আদালতের কাজ দ্রুত করবে না, বরং নারীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে এবং শিশুদের মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া
এম.কে

