দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ওই আগ্রাসনের পর হাতের মুষ্ঠি ছেড়ে দিয়েছে তেহরানও। ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ড ও উপসাগরীয় দেশগুলোয় মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে।
সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। নতুন করে প্রতিবেশী তুরস্ক ও আজারবাইজানে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র।
এই সংঘাত বন্ধ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছে না রাশিয়া। দেশটি বলেছে, ইরানে দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বন্ধ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ থামার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।
একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের বিরুদ্ধে আরব দেশগুলোকে যুদ্ধে ‘টেনে আনার চেষ্টার’ অভিযোগ তুলেছে মস্কো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে যৌথভাবে ইরানে হামলার মাধ্যমে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে যুদ্ধে টানছে বলে নতুন করে মন্তব্য করল রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রুশ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানকে কিছু আরব দেশের লক্ষ্যবস্তুতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে প্ররোচিত করেছে, যার কারণে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে—এতে রুশ পক্ষ গভীরভাবে অনুতপ্ত।
এতে আরও বলা হয়েছে, এভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আরব দেশগুলোকে অন্য কারো স্বার্থের যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা করছে।
রাশিয়া জানায়, স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ হলো ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করা, কিন্তু আপাতত তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
সূত্রঃ আলজাজিরা
এম.কে

