সুইজারল্যান্ডে এসাইলাম সেন্টারের একটি কক্ষে রুমমেটকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে রাইন নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে এক বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি বুরুন্ডির নাগরিক। সুইজারল্যান্ডের প্রসিকিউটর কার্যালয় শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার বাংলাদেশির বয়স ৪৩ বছর। তিনি সুইজারল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় আর্গাউ ক্যান্টনের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করতেন। নিহত ৩৩ বছর বয়সী বুরুন্ডির নাগরিকের সঙ্গে একই কক্ষে থাকতেন তিনি।
প্রসিকিউটর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার ওই বুরুন্ডির নাগরিক নিখোঁজ হয়েছেন বলে তার পরিচিত ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন। পরদিন রাইন নদীর কাছের তীরবর্তী এলাকায় একটি ব্যাগ দেখতে পান তারা। ব্যাগের ভেতরে মানুষের একটি পা পাওয়া যায়।
পরে পুলিশ ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে আরও কয়েকটি ব্যাগ উদ্ধার করে। সেগুলোর ভেতরে মরদেহের অন্যান্য খণ্ডিত অংশ পাওয়া যায়।
সুইজারল্যান্ডের আর্গাউ ক্যান্টনের পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয় জানায়, মরদেহটি টুকরো টুকরো করে আবর্জনা রাখার ব্যাগে ভরে রাইন নদী এবং নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ আশ্রয়কেন্দ্রটিতে তল্লাশি চালায়। সংগৃহীত আলামত ও তদন্তের তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির একই কক্ষের বাসিন্দা ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশির বিরুদ্ধে সন্দেহ জোরালো হয়। পরে গত মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসিকিউটর কার্যালয় জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা এবং এর পেছনের উদ্দেশ্য এখনো তদন্তাধীন। এখন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্য জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন বাংলাদেশির মধ্যে মানসিক সমস্যার লক্ষণ দেখা গেছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্রঃ এএফপি
এমকে

