সাবেক শিল্পমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের রাজনীতির এক পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ছিলেন ঐতিহাসিক ছাত্রনেতাদের অন্যতম এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা ছিল।
স্বাধীনতার পর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তিনি দীর্ঘ সময় প্রভাবশালী ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতিতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ নেতা হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে তার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, সামাজিক মহল এবং তার শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, সহকর্মী এবং বিশিষ্টজনরা তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
তার মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া
এম.কে

