5.7 C
London
February 29, 2024
TV3 BANGLA
সারাদেশ

বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে রেকর্ড গড়লেন ১৩ বছরের রাব্বি

সবচেয়ে কম সময়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেয়ার গৌরব অর্জন করেছেন ১৩ বছর বয়সী রাব্বি রহমান। ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিটে সাঁতরে ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে সেন্টমার্টিনে পৌঁছায় সে। এসময় দ্বীপের বাসিন্দারা ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান তাকে। এই কিশোর বগুড়া জেলার সদর উপজেলার বাসিন্দা।

 

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন একসঙ্গে ৪৩ জন সাঁতারু। তাদের মধ্যে ১ জন বিদেশি, ২ জন নারী ও ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। এরমধ্যে সফল হয়েছেন ৪০জন সাতারু। তবে সবচেয়ে কম সময়ে এটি পাড়ি দেওয়ার গৌরব অর্জন করেন রাব্বি।

 

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে বাংলা চ্যানেলে সাঁতার শুরু করেন ওই ৪৩ জন সাঁতারু। ১৫তম বাংলা চ্যানেল সাঁতারের আয়োজক ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার ও এক্সট্রিম বাংলা।

 

আয়োজক ও দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে বাংলা চ্যানেলে সাঁতার শুরু করেন ৪৩ জন সাঁতারু। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্বীপে প্রথম পৌঁছে সাড়ে ১৩ বছর বয়সী রাব্বি রহমান। এই চ্যানেল প্রথমবারের মতো পাড়ি দিয়ে সে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন। সবচেয়ে কম সময়ে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার গৌরবও অর্জন করে সে।

 

রাব্বি রহমান ছাড়া সাইফুল ইসলাম রাসেল ৩ ঘণ্টা ৩১ মিনিটে পাড়ি দিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে পাড়ি দিয়ে তৃতীয় হয়েছেন সোজা মোল্লা। ধাপে ধাপে বিকেল ৫টার পর বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্বীপে পৌঁছান সব সাতারু।

 

প্রথম সেন্টমার্টিনে পৌঁছেন প্রথম স্থান অধিকারী বগুড়ার কিশোর রাব্বি রহমান বলল, বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন দেখছি আমি। আমার টার্গেট ছিল যে কোনো মূল্যে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে জয়ের স্বাদ নিতে হবে আমাকে। আল্লাহ আমার সেই আশা পূরণ করেছেন। আগামীতে আরও বড় বড় অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নিতে চাই। এ জন্য সরকার ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

এ বিষয়ে ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের নির্বাহী কর্মকর্তা লিপটন সরকার বলেছেন, চ্যানেল সাঁতারের আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে এ আয়োজন করা হয়েছে। সাঁতারুরা ফ্রি হ্যান্ড সুইমিং করবেন। নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেক সাঁতারুর সঙ্গে একটি করে উদ্ধারকারী নৌকা থাকবে। এছাড়া বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সার্ভিস বোট, জরুরি নৌকা ও ডুবুরিরা থাকবেন। এবারের বাংলা চ্যানেল সাঁতারের সহ-আয়োজক বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও পর্যটন বোর্ড। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ফরচুন গ্রুপ, পৃষ্ঠপোষক ভিসা থিং ও এনসিসি ব্যাংক, অংশীদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, স্টুডিও ঢাকা ও ষড়জ এবং রেসকিউ পার্টনার বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

 

প্রসঙ্গত, অ্যাডভেঞ্চার গুরু খ্যাত প্রয়াত কাজী হামিদুল হক সমুদ্র সাঁতারের উপযোগী বঙ্গোপসাগরের এই বাংলা চ্যানেল আবিষ্কার করেন। ২০০৬ সালে প্রথমবার আয়োজনে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দেন লিপটন সরকার, ফজলুল কবির ও সালমান সাঈদ।

 

৩০ নভেম্বর ২০২০
এনএইচ

আরো পড়ুন

আমজাদকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

শর্তসাপেক্ষে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত

যুক্তরাষ্ট্রে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন শুরু হচ্ছে, ৮ ডিসেম্বর যাবে প্রথম ব্যাচ