17.1 C
London
October 5, 2026
TV3 BANGLA
বাংলাদেশ

বিচারপতি-অ্যাটর্নি জেনারেলের নিরাপত্তা কমানোর প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জঃ হাইকোর্টে রিট

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বিচার বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ১০ জন আবেদনকারীর পক্ষে রিটটি দায়ের করেন। এতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে ২০২৬ সালের ২৭ আগস্ট জারি করা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনকারীদের দাবি, ওই প্রজ্ঞাপন বিদ্যমান ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স এবং ‘বাংলাদেশ বনাম আতাউর রহমান ও অন্যান্য’ মামলায় আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রিটে প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা অবিলম্বে স্থগিত করার পাশাপাশি এটি আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া জারি করা হয়েছে এবং এর কোনো বৈধ আইনি ভিত্তি নেই—এমন ঘোষণা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বহালের আবেদন জানানো হয়েছে।

রিট আবেদনকারীদের মধ্যে আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, আবদুল্লাহ সাদিক, মিজানুল হক, জায়েদ বিন আমজাদ, মোহাম্মদ শানেওয়াজ, সাব্বির রহমান ও মাহমুদুল হাসান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শামীম শাহীদি, মো. রাফিউল সাব্বির ও হাবিবুর রহমান আল হাসান রয়েছেন।

রিটে ২০২৫ সালের একটি ঘটনারও উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বছরের ২ মার্চ একই ধরনের একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এর দুই দিন পর, ৬ মার্চ, হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি রুল জারি করেন এবং প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৯ মার্চ সরকার ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে দেয় বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনকারীদের যুক্তি, আদালতের আগের নির্দেশনা এবং সংশ্লিষ্ট প্রেক্ষাপট থাকা সত্ত্বেও নতুন করে বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তাদের দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ বিচার বিভাগের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

রিটে আরও বলা হয়েছে, নতুন প্রজ্ঞাপনটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রের ক্ষমতার পৃথকীকরণ এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী। এসব কারণ দেখিয়ে প্রজ্ঞাপনটির বৈধতা নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

রিটটি বর্তমানে হাইকোর্টে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। তবে এখনো শুনানির জন্য কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

সূত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার বাংলা

এম.কে

আরো পড়ুন

ডিসেম্বরে ঢাকায় উচ্চ পর্যায়ের বাংলাদেশ-ভারত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে

হোস্টেলে সমকামিতাঃ গে-কমিটির প্রধানসহ ৪ মেডিকেল শিক্ষার্থী গ্রেফতার

দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মো: সাহাবুদ্দিন চুপ্পু

নিউজ ডেস্ক