9.4 C
London
April 15, 2024
TV3 BANGLA
শীর্ষ খবর

বিলেতে বাড়ি কেনার জন্য সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ

সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ হচ্ছে এক ধরনের সিকিউরড লোন। রি-মর্গেজ না করে সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ নিয়ে প্রপার্টি থেকে টাকা তুলেতে পারবেন। সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ হচ্ছে কোন প্রপার্টিতে দ্বিতীয় মর্গেজ অর্থাৎ একই সময়ে প্রপার্টিতে দুইটি মর্গেজ।

উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যাক। ধরলাম, জন এবং ইভার প্রপার্টিতে ২ লক্ষ পাউন্ড মর্গেজ আছে। তাদের ৫ বছরের ফিক্সড ইন্টারেস্ট রেইট শেষ হতে আরও দুই বছর বাকি। গত তিন বছরে তাদের প্রপার্টির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য তাদের ৩৫ হাজার পাউন্ড দরকার। যেহেতু তাদের ৫ বছরের ফিক্সড ইন্টারেস্ট রেইট শেষ হতে আরও দুই বছর বাকি আছে, তাই এই সময়ে রি-মর্গেজ করলে তাদের একটি পেনাল্টি দিতে হবে। এটাকে বলে আরলি রিপেয়মেন্ট চার্জ (ইআরসি)। অন্যদিকে জন এবং ইভা যদি তাদের মেইন মর্গেজ পরিবর্তন না করে প্রপার্টিতে আরেকটি মর্গেজ বসান তাহলে তাদের কোন ইআরসি পেনাল্টি দিতে হবে না। দুই বছর পরে তাদের প্রপার্টি রি-মর্গেজ করে এই সেকেন্ড চার্জ পরিশোধ করতে পারবেন।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেকেন্ড চার্জ মর্গেজে ইআরসি পেনাল্টি থাকে না। তাই এই মর্গেজ যেকোনো সময় পরিশোধ করা যায়। এই মর্গেজ পাওয়া মেইন মর্গেজের তুলনায় সহজ। যদি কারো মেইন মর্গেজে ইন্টারেস্ট রেইট অনেক কম থাকে তাহলে রি-মর্গেজের তুলনায় সেকেন্ড চার্জ মর্গেজে খরচ অনেক কম হবে।

সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ অনেক সময় পার্সোনাল লোনের বিকল্প হিসেবেও করা হয়। অর্থাৎ আপনার যদি এক হাজার পাউন্ড থেকে শুরু করে যে কোনো এমাউন্টের পার্সোনাল লোনের প্রয়োজন পড়ে সেক্ষেত্রে সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ হতে পারে পারফেক্ট সমাধান।

সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ নেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। প্রথমত, এই ধরনের মর্গেজের ইন্টারেস্ট রেইট একটু বেশি। দ্বিতীয়ত, এর জন্য আপনার মেইন মর্গেজ কোম্পানি থেকে অনুমতিপত্র আনতে হবে। যদি মেইন মর্গেজ কোম্পানি অনুমতি না দেয় সেক্ষেত্রে সেকেন্ড চার্জ মর্গেজ করা যাবেনা।

বিষয়টি সম্পর্কে আরও জানতে নিচের ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন:

ই-মেইল: info@benecofinance.co.uk
ফোন: 0208 050 2478

২২ নভেম্বর ২০২০
এসএফ

আরো পড়ুন

ব্রিটেনের অনিবন্ধিত অভিবাসীদের সাধারণ ক্ষমায় রাজি বরিস জনসন

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বকাপে অঘটন: মূলপর্বের আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিদায়

অনলাইন ডেস্ক

রুয়ান্ডানীতির কারণে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে যুক্তরাজ্য ;