বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। মেক্সিকান সমর্থকদের বাড়তি উন্মাদনা ও অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানি এড়াতে টমাস টুখেলের দলের হোটেলের নাম ও অবস্থান কঠোর গোপনীয়তায় রেখেছিল ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)।
কিন্তু দল পৌঁছানোর আগেই সেই গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যায়।
ইংল্যান্ড দল যখন মেক্সিকো সিটির নির্ধারিত হোটেলে পৌঁছায়, তখন সেখানে আগে থেকেই জড়ো হওয়া শত শত মেক্সিকান সমর্থক তাদের ‘ভুয়ো’ এবং ‘মেক্সিকো, মেক্সিকো’ স্লোগানে স্বাগত জানায়।
ইংলিশদের আগে ঠিক একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল ইকুয়েডর জাতীয় দলও। ম্যাচপূর্ব নিরাপত্তা ঘাটতির অভিযোগ এনে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ফিফা’র কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দায়ের করেছিল তারা।
ইকুয়েডরের মতো রাতেও যেন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য তড়িঘড়ি করে ফিফার অনুমতি নিয়ে হোটেলের চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ইংলিশ এফএ। ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সমর্থকদের বিক্ষোভ বা জমায়েত ঠেকাতে হোটেলের আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে যাতায়াত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
ইংল্যান্ড শিবিরের এই অসন্তোষ অবশ্য মেক্সিকো পৌঁছানোর আগেই শুরু হয়েছিল। গত শুক্রবার মেক্সিকো সিটিতে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাসের কারণে ম্যাচের সময় পরিবর্তনের একটি গুঞ্জন ওঠে। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে এফএ এই খবর জানতে পারলেও ফিফা তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি।
কয়েক ঘণ্টার চরম অনিশ্চয়তা শেষে ফিফা অবশ্য ম্যাচটি আগের নির্ধারিত সময়েই আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে পুরো বিষয়টি যেভাবে সামলানো হয়েছে, তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম। বিখ্যাত ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ‘দ্য মিরর’ পুরো ঘটনাটিকে ‘প্রহসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে। অন্যান্য পত্রিকাও একে ‘লজিস্টিকসের দুঃস্বপ্ন’ এবং ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এম.কে

