নাশীত রহমান || লন্ডন || ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ডালাস, টেক্সাসের আমেরিকান এয়ারলাইন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত রিপাবলিকান পার্টির যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনী সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে আসন্ন ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা যদি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ অর্জন করতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫,০০০ ডলার করে প্রদান করা হবে।
ট্রাম্পের ঘোষিত প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিককে ৫,০০০ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মূলত একটি নির্বাচনী প্রচারণামূলক বক্তব্য। এটি কোনো আইন নয়, কোনো অনুমোদিত বাজেট নয়, এবং এর জন্য কোনো অর্থায়নের উৎসও নির্ধারিত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৬০ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক আছে। প্রত্যেককে ৫,০০০ ডলার দিলে মোট ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার। এই পরিমাণ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বাজেট কাঠামোতে কোথাও সংরক্ষিত নেই। বরং দেশটি ইতোমধ্যে বছরে প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলারের ঘাটতি নিয়ে চলছে এবং জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। অর্থাৎ এই ধরনের নগদ বিতরণ করতে হলে নতুন আইন, নতুন কর, বিশাল ঋণ গ্রহণ বা ব্যাপক ব্যয় সংকোচন—কোনো একটি বা একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। কিন্তু ট্রাম্প বা রিপাবলিকান পার্টি এখন পর্যন্ত এসবের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়নি।
ট্রাম্প ও জেডি ভ্যান্স কয়েকবার বলেছেন যে এই অর্থ “ট্যারিফ রাজস্ব” বা “DOGE সেভিংস” থেকে আসতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হলো যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ রাজস্ব মোটেও এত বড় নয় যে তা দিয়ে এক ট্রিলিয়ন ডলারের নগদ বিতরণ সম্ভব। DOGE (Department of Government Efficiency) নামে যে সেভিংস প্রোগ্রামের কথা বলা হয়েছিল, সেটি বাস্তবে কার্যকর কোনো সরকারি বিভাগ নয়, কোনো অনুমোদিত সেভিংস প্রোগ্রামও নয়। অর্থাৎ এটি ছিল রাজনৈতিক বক্তব্য, বাস্তব নীতিগত কাঠামো নয়। ফলে অর্থায়নের উৎস বাস্তবে নেই।
এখন প্রশ্ন আসে—এটি কি গণতন্ত্রবিরোধী? যুক্তরাষ্ট্রে ভোট কেনা আইনত অপরাধ। কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী যদি সরাসরি বলে যে “আমাদের জিতলে আপনাকে টাকা দেব”, তাহলে এটি ভোটারদের আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে রাজনৈতিক ফলাফল প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও ট্রাম্প সরাসরি বলেননি “আমাকে ভোট দিন”, তিনি বলেছেন “রিপাবলিকানরা দুই কক্ষ জিতলে” অর্থ দেওয়া হবে। এটি আইনি ভাষায় একটি ধূসর এলাকা তৈরি করে—কারণ এটি ভোটের বিনিময়ে সরাসরি অর্থ নয়, কিন্তু নির্বাচনী ফলাফলের সঙ্গে সরাসরি আর্থিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা এটিকে গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থী বলে মনে করেন, কারণ এটি ভোটারদের স্বাধীন সিদ্ধান্তকে আর্থিক প্রলোভনের মাধ্যমে প্রভাবিত করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে কোনো প্রেসিডেন্ট এককভাবে নাগরিকদের নগদ অর্থ দিতে পারেন না। কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া কোনো অর্থ বিতরণ সম্ভব নয়। অতীতে কোভিড স্টিমুলাস চেকও কংগ্রেসের আইন পাসের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। তাই ট্রাম্পের এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে রিপাবলিকানদের শুধু জয়লাভ করাই যথেষ্ট নয়, তাদেরকে আইন পাস করতে হবে এবং অর্থায়নের উৎস নির্ধারণ করতে হবে। এখন পর্যন্ত এসবের কোনো বাস্তব নীতিগত কাঠামো নেই।
সুতরাং সারসংক্ষেপ হলো—এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে অর্থায়নহীন, আইনহীন এবং সম্পূর্ণ নির্বাচনী প্রচারণার অংশ। এটি গণতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক, কারণ নির্বাচনী ফলাফলের সঙ্গে ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার কোথা থেকে আসবে—এর কোনো বাস্তব উত্তর নেই।
ট্রাম্পের ঘোষিত ৫,০০০ ডলার প্রতিশ্রুতির আইনগত দিক হলো যে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী কোনো প্রেসিডেন্ট এককভাবে নাগরিকদের নগদ অর্থ দিতে পারেন না। অর্থ বিতরণ করতে হলে কংগ্রেসকে আইন পাস করতে হয় এবং বাজেট বরাদ্দ দিতে হয়। প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা দিয়ে সরাসরি নগদ বিতরণ করা যায় না। তাই ট্রাম্পের ঘোষণাটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয় এবং এটি কার্যকর করতে হলে রিপাবলিকানদের কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও তাদেরকে আনুষ্ঠানিক আইন প্রণয়ন করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের Appropriations Clause অনুযায়ী কোনো অর্থ ব্যয় করতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন অপরিহার্য। ফলে এই প্রতিশ্রুতি আইনগতভাবে বর্তমানে শূন্য অবস্থায় রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন আইন অনুযায়ী সম্ভাব্য লঙ্ঘন হলো যে ভোটারদের আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নির্বাচন ফলাফলের সঙ্গে শর্তযুক্ত হলে তা ভোট কেনার প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ফেডারেল আইন অনুযায়ী কোনো প্রার্থী বা দল ভোটারদের আর্থিক সুবিধা, উপহার বা অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রভাবিত করতে পারে না। ট্রাম্প সরাসরি বলেননি “আমাকে ভোট দিন”, কিন্তু বলেছেন “রিপাবলিকানরা দুই কক্ষ জিতলে” অর্থ দেওয়া হবে। এটি নির্বাচনী ফলাফলের সঙ্গে ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা যুক্ত করে, যা নির্বাচন আইনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আইন বিশেষজ্ঞরা এটিকে একটি ধূসর এলাকা বলে মনে করেন, কারণ এটি সরাসরি ভোট কেনা নয়, কিন্তু ভোটারদের আর্থিক প্রত্যাশা তৈরি করে নির্বাচনী আচরণ প্রভাবিত করতে পারে। নির্বাচন আইনের দৃষ্টিতে এটি নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং সম্ভাব্যভাবে অবৈধ।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী কোনো প্রেসিডেন্ট বা রাজনৈতিক দল এককভাবে নাগরিকদের নগদ অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারে না। অর্থ বিতরণ করতে হলে কংগ্রেসকে আইন পাস করতে হয় এবং বাজেট বরাদ্দ দিতে হয়। সংবিধানের Appropriations Clause (Article I, Section 9, Clause 7) স্পষ্টভাবে বলে যে সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষমতা কেবল কংগ্রেসের হাতে। ফলে ট্রাম্পের ঘোষিত ৫,০০০ ডলার প্রতিশ্রুতি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয় এবং এটি কার্যকর করতে হলে রিপাবলিকানরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও তাদেরকে আনুষ্ঠানিক আইন প্রণয়ন করতে হবে।
এছাড়া Federal Election Campaign Act (FECA) এবং 18 U.S. Code § 597 অনুযায়ী কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গে শর্তযুক্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে না। আইনটি স্পষ্টভাবে বলে যে “any person who makes or offers to make an expenditure to any person to vote or withhold his vote”—এটি অপরাধ। যদিও ট্রাম্প সরাসরি বলেননি “আমাকে ভোট দিন”, তিনি বলেছেন “রিপাবলিকানরা দুই কক্ষ জিতলে” অর্থ দেওয়া হবে। এটি নির্বাচনী ফলাফলের সঙ্গে ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা যুক্ত করে, যা আইনগতভাবে অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ।
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন আইন অনুযায়ী সম্ভাব্য লঙ্ঘন – যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন আইন ভোটারদের স্বাধীন সিদ্ধান্তকে আর্থিক প্রলোভন থেকে রক্ষা করতে কঠোর বিধান রেখেছে। 18 U.S. Code § 597 এবং 52 U.S. Code § 10307(c) অনুযায়ী ভোটারদের অর্থ, উপহার বা আর্থিক সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রভাবিত করা অপরাধ। ট্রাম্পের বক্তব্যে বলা হয়েছে যে রিপাবলিকানরা দুই কক্ষ জিতলে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫,০০০ ডলার দেওয়া হবে। এটি সরাসরি ভোট কেনা নয়, কিন্তু নির্বাচনী ফলাফলের সঙ্গে আর্থিক সুবিধা যুক্ত করে ভোটারদের আচরণ প্রভাবিত করার চেষ্টা হিসেবে দেখা যেতে পারে।
আইন বিশেষজ্ঞরা এটিকে একটি ধূসর এলাকা বলে মনে করেন। কারণ এখানে সরাসরি ভোটের বিনিময়ে অর্থ নয়, কিন্তু ভোটারদের আর্থিক প্রত্যাশা তৈরি করে তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন আইনের চেতনা অনুযায়ী এটি নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং সম্ভাব্যভাবে অবৈধ।
নির্বাচনী জালিয়াতির উদাহরণ – যুক্তরাষ্ট্রে অতীতে অর্থ বা উপহার দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, এবং সেগুলোতে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
২০১৮ সালের নর্থ ক্যারোলাইনা ব্যালট জালিয়াতি মামলায় একজন রাজনৈতিক কনসালট্যান্ট ভোটারদের আর্থিক সুবিধা ও বিভিন্ন উপহার দিয়ে অনুপস্থিত ব্যালট সংগ্রহ করেছিলেন। তিনি ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট নিয়ে নিজের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে সেগুলো জমা দিতেন। এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন আইনে গুরুতর জালিয়াতি হিসেবে গণ্য হয় এবং তদন্তের পর পুরো নির্বাচনের ফল বাতিল করা হয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনী জালিয়াতির সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণগুলোর একটি।
২০১৪ সালের কেনটাকি ভোট কেনা মামলায় কয়েকজন স্থানীয় রাজনীতিবিদ ভোটারদের নগদ অর্থ, সাধারণত ২০ থেকে ৫০ ডলার করে দিয়ে ভোট কিনেছিলেন। তারা ভোটারদের সরাসরি অর্থ প্রদান করে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দিতে উৎসাহিত করতেন। ফেডারেল তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয় এবং শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই মামলাটি দেখায় যে যুক্তরাষ্ট্রে ভোট কেনা একটি ফেডারেল অপরাধ এবং এর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর।
২০১৭ সালের টেক্সাস ভোট কেনা মামলায় একদল স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ভোটারদের নগদ অর্থ ও বিভিন্ন উপহার দিয়ে ভোট সংগ্রহ করেছিল। তারা দরিদ্র ও প্রবীণ ভোটারদের লক্ষ্য করে অর্থ ও উপহার প্রদান করত এবং তাদেরকে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট দিতে নির্দেশ দিত। এই ঘটনার বিরুদ্ধে 18 U.S. Code § 597 অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়, যা ভোট কেনা বা আর্থিক সুবিধা দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য একটি ফেডারেল আইন। এই মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন আইনের কঠোরতা এবং ভোটারদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত রক্ষার গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
এই উদাহরণগুলো দেখায় যে যুক্তরাষ্ট্রে ভোটারদের আর্থিক সুবিধা দিয়ে ভোট প্রভাবিত করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
অর্থনৈতিক বাস্তবতা হলো যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৬০ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক আছে এবং প্রত্যেককে ৫,০০০ ডলার দিলে মোট ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার । যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বাজেট ঘাটতি বছরে প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলার এবং জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার বিতরণ করতে হলে নতুন কর আরোপ, ব্যাপক ঋণ গ্রহণ বা বড় পরিসরে সরকারি ব্যয় কমানো ছাড়া কোনো পথ নেই। ট্রাম্প বা রিপাবলিকান পার্টি এখন পর্যন্ত এসবের কোনো বাস্তব নীতিগত কাঠামো বা অর্থায়নের উৎস ঘোষণা করেনি। ট্যারিফ রাজস্ব বা DOGE সেভিংসের মতো উৎসগুলো বাস্তবে এত বড় নয় যে তা দিয়ে এই পরিমাণ অর্থ বিতরণ সম্ভব। অর্থনৈতিকভাবে এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন অসম্ভব এবং এটি মূলত নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
ট্রাম্পের ঘোষিত ৫,০০০ ডলার প্রতিশ্রুতি আইনগতভাবে বাস্তবায়নযোগ্য নয় এবং এটি নির্বাচনী ফলাফলের সঙ্গে শর্তযুক্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন আইনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটি সরাসরি ভোট কেনা না হলেও ভোটারদের আর্থিক প্রত্যাশা তৈরি করে তাদের আচরণ প্রভাবিত করার সম্ভাবনা তৈরি করে, যা আইনগতভাবে ধূসর এলাকা এবং নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। অতীতের উদাহরণগুলো দেখায় যে অর্থ বা উপহার দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রে কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

