ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (এনআইইএসআর) সতর্ক করেছে, যদি যুক্তরাজ্যে নিট অভিবাসন শূন্যের কাছাকাছি থাকে, তবে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশটির অর্থনীতি ৩.৬ শতাংশ ছোট হয়ে যেতে পারে। এ কারণেই কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি ধীর হবে এবং কর্মক্ষম জনশক্তি সংকুচিত হবে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এনআইইএসআর জানাচ্ছে, স্বল্পমেয়াদে প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বাধ্য হওয়ার কারণে মানুষের প্রকৃত মজুরি ও ডিসপোজেবল ইনকাম বাড়তে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে ছোট ও বার্ধক্যপ্রবণ জনসংখ্যার কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দুর্বল হবে এবং সরকারকে বাজেট ঘাটতি সামাল দিতে ঋণ বৃদ্ধি করতে হবে।
গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যা প্রায় ৭ কোটি পর্যায়ে স্থবির হবে। অথচ ২০২৪ সালে জনসংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৯৩ লাখ। জনসংখ্যার এই স্থবিরতার ফলে কর রাজস্ব কমবে, সরকারি ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারের ঋণের চাপ আরও বেড়ে যাবে।
এনআইইএসআর–এর জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. বেঞ্জামিন ক্যাসওয়েল বলেন, জন্মহার না বাড়লে শূন্য নিট অভিবাসন যুক্তরাজ্যের জন্য আর্থিকভাবে টেকসই হবে না। উল্লেখযোগ্য কর বৃদ্ধি ছাড়া বাজেট ঘাটতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করতে পারে। ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত নিট অভিবাসন ৬ লাখ ৪৯ হাজার থেকে কমে ২ লাখ ৪ হাজারে নেমে এসেছে, যা কঠোর ভিসা নীতির ফলে ঘটেছে।
সূত্রঃ দ্য গার্ডিয়ান
এম.কে

