11.4 C
London
April 30, 2026
TV3 BANGLA
প্রবাসে বাংলাদেশশীর্ষ খবর

১৬ আগস্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সোনালী ব্যাংক ইউকে

যুক্তরাজ্যের মাটিতে বাংলাদেশের একটি ব্যাংক হবে—এ স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল সোনালী ব্যাংক ইউকে লিমিটেড। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বপ্নের সেই ব্যাংকটি এখন ধ্বংসস্তূপ। অর্থ পাচার প্রতিরোধে ব্যর্থতা ও অনিয়ম-দুর্নীতিতে বিধ্বস্ত ব্যাংকটিকে বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। আগামী ১৬ আগস্ট বন্ধ হয়ে যাবে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের স্বপ্নের ব্যাংকটি।

 

বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের জোগান দেয়া মূলধনে গঠিত হয় সোনালী ব্যাংক ইউকে। এর মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মালিকানা রয়েছে ৫১ শতাংশ বাকি ৪৯ শতাংশ শেয়ারের মালিক সোনালী ব্যাংক লিমিটেড। কয়েক দফায় দেশ থেকে মূলধন জোগান দেয়ায় এখন সোনালী ব্যাংক ইউকে লিমিটেডের মূলধনের পরিমাণ ৬ কোটি ৩৮ লাখ পাউন্ড। বাংলাদেশী মুদ্রায় যার পরিমাণ ৬৯৫ কোটি টাকা। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সোনালী ব্যাংক ইউকে লিমিটেডকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৬ কোটি ডলার ঋণও দেয়া হয়েছে। যদিও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব বিনিয়োগই মুখ থুবড়ে পড়েছে যুক্তরাজ্যের মাটিতে।

 

ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রুডেন্সিয়াল রেগুলেশন অথরিটি (পিআরএ) এবং ফাইন্যান্সিয়াল কন্ডাক্ট অথরিটির (এফসিএ) সিদ্ধান্তে বন্ধ হচ্ছে সোনালী ব্যাংক ইউকে। গত ২৭ জানুয়ারি বিষয়টি সোনালী ব্যাংক ইউকেকে জানিয়েও দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ব্যাংকটিকে বাঁচাতে তত্পর হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

 

এজন্য সোনালী ব্যাংক ইউকের পরিবর্তে যুক্তরাজ্যে দুটি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। মোট চারটি প্রস্তাব দিয়ে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারসংক্ষেপ পাঠাচ্ছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

 

প্রস্তাবে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য ‘সোনালী পে ইউকে লিমিটেড’ এবং বাংলাদেশী ব্যাংকগুলোর ঋণপত্রের নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য ‘সোনালী বাংলাদেশ (ইউকে) লিমিটেড’  নামে কোম্পানি তৈরির পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সোনালী পে ইউকের লাইসেন্সের জন্য বাংলাদেশ থেকে আরো ১০ লাখ পাউন্ড মূলধন জোগান দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

 

২৪ মে ২০২২
এনএইচ

আরো পড়ুন

খাবার পানি সংকটে বিশ্ব

যুক্তরাজ্যে নবজাতকদের চিকিৎসা পদ্ধতি চলছে মান্ধাতার আমলের ব্যবস্থায়

ইতালিতে অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে