ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে পাশের কয়েকটি দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এমনি এক হামলায় রোববার আরব আমিরাতে এক বাংলাদেশিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সালেখ উদ্দিন ওরফে আহমদ আলী (৪৮) মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। নিহত অন্য দুজনের একজন পাকিস্তান ও একজন নেপালের নাগরিক। এ ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বাংলাদেশিও আছেন।
সালেখের পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সালেখ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করছিলেন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালাতেন। শনিবার তিনি নিয়মিত কাজের অংশ হিসাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সন্ধ্যায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেখসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা সালেখকে মৃত ঘোষণা করেন। সালেখের পরিবারে তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন চার বাংলাদেশি। তারা হলেন-আমিনুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম, মাসুদুর রহমান ও দুলাল মিয়া। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া। তিনি জানান, ড্রোন হামলায় কুয়েত বিমানবন্দরে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়লে চার বাংলাদেশি প্রবাসী আহত হন।
উপসাগরীয় এলাকায় যুদ্ধ শুরু হওয়ায় কুয়েতে অবস্থিত সব প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিককে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ করেছে সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাস নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে সামরিক স্থাপনার আশপাশ থেকে দূরে থাকার এবং সবাইকে বাসায় অথবা নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলেছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্রঃ যুগান্তর
এম.কে

