ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নিজের বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বিয়েতে উপস্থিত না-ও থাকতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন মন্তব্য করে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তার ছেলে চাইলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে বিয়েতে অংশ নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি ছোট ও ব্যক্তিগত পরিসরে হবে এবং তিনি সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “এটা আমার জন্য ভালো সময় নয়। ইরানসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখন সামনে রয়েছে। আমি যদি যাই, সমালোচনা হবে। আর না গেলেও সমালোচনা হবে।”
খবরে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও তার হবু স্ত্রী বেটিনা এন্ডারসন শুরুতে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং দেশের অর্থনৈতিক চাপের কারণে সেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের উৎসব আয়োজন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠরা।
এ কারণে হোয়াইট হাউসে বড় আয়োজনের বদলে বাহামার একটি ব্যক্তিগত দ্বীপে সীমিত পরিসরে বিয়ের অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ পরিবার ও বন্ধুদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও বেটিনা এন্ডারসনের সম্পর্ক ২০২৪ সালে প্রকাশ্যে আসে। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত মহলে তাদের সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানেও তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের সঙ্গে কিম্বার্লি গিলফয়েলের বাগদান হয়েছিল। পরে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে। বর্তমানে কিম্বার্লি গিলফয়েল কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন।
বেটিনা এন্ডারসন একটি প্রভাবশালী ব্যাংকিং পরিবারের সদস্য। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পাম বিচের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত। মডেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।
বিয়ের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের পাঁচ সন্তানের সৎমা হবেন বেটিনা এন্ডারসন। বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
সূত্রঃ দ্য টেলিগ্রাফ
এম.কে

