কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, দেশটির ব্যবহৃত প্রায় সব পানি লবণাক্ত, সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধ করে ব্যবহার উপযোগী করার পর সরবরাহ করা হয়।
কাতারে কোনো প্রাকৃতিক নদী বা উল্লেখযোগ্য পানির মজুত নেই। ফলে, যদি ডি’স্যালিনেশন প্ল্যান্টের সরবরাহ ব্যাহত হয়, দেশটি মাত্র তিন দিনের মধ্যেই ভয়াবহ পানির সংকটে পড়তে পারে।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, এই ঝুঁকি কাতারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ধরনের ব্যবস্থা নির্ভরশীল। উপসাগরীয় এই দেশগুলোর পানির নিরাপত্তা এক সুতোয় গাঁথা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি বুশেরাহ পারমাণবিক স্থাপনাটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হয় এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থ সমুদ্রের পানিতে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে পুরো অঞ্চলের ডি’স্যালিনেশন প্ল্যান্টগুলো কার্যত অচল হয়ে যাবে।
এতে কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য কোনো নিরাপদ পানির উৎস থাকবে না।
এই পরিস্থিতি শুধুমাত্র পানির সংকটই নয়, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যকেও মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলবে। পানির অভাব এবং সামুদ্রিক জীবনের ধ্বংস উপসাগরীয় অঞ্চলে স্বাভাবিক জীবনের অস্তিত্বকে গুরুতরভাবে বিপন্ন করবে।
সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া
এম.কে

