TV3 BANGLA
বাংলাদেশ

পাবলিক প্লেসে ধূমপান করলে এখন ২০০০ টাকা জরিমানা

প্রকাশ্য স্থানে ধূমপানের জরিমানার পরিমাণ ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ কার্যকর হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সুপারিশে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে।

 

নতুন অধ্যাদেশে তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে রক্ষা করতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে সব ধরনের পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি যেকোনো তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ। এই আইন ভাঙলে ২ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। আগে জরিমানা ছিল ৩০০ টাকা।

উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার—সব ক্ষেত্রেই ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ নতুন বাজারে আসা সব ধরনের তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান অমান্য করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি বিক্রয়স্থলে সিগারেটের প্যাকেট প্রদর্শন এবং করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির নাম বা লোগো ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তামাকজাত পণ্যের প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবিসহ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করা যাবে না।

কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ি উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ‘বিড়ি ম্যানুফ্যাকচার (প্রহিবিশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৫’ বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তামাকের সঙ্গে ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এম.কে

আরো পড়ুন

‘বাংলাদেশের কাছে ৬০০ একর জমি চায় সৌদি আরব’

সিলেটে এক রাতের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের ডাবল সেঞ্চুরি

গানের মিছিল থেকে সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান