দক্ষিণ লন্ডনের ডেনমার্ক হিল রেলস্টেশন এখন শুধু যাত্রীদের যাতায়াতের কেন্দ্র নয়, বরং একটি ব্যতিক্রমী আঙুরের বাগানের জন্যও আলোচনায় এসেছে। স্টেশন চত্বরে গড়ে ওঠা এই ক্ষুদ্র আঙুরবাগান থেকেই উৎপাদিত হচ্ছে “শাতো ডেনমার্ক হিল”-এর আঙুর, যার দেখভাল করছেন নিক ও টোন কোলম্যান।
এই বাগানের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ২৫টি ব্যাকাস জাতের আঙুরলতা। দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে মদ তৈরির জন্য ব্যাকাস জাতের আঙুর বিশেষভাবে পরিচিত। লতাগুলো দক্ষিণমুখী হওয়ায় পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায়, যা ফলের মিষ্টতা ও গুণগত মান বাড়াতে সহায়তা করে।
টোন কোলম্যান জানান, মদ তৈরির সঙ্গে তার পরিচয় আজকের নয়। সত্তরের দশকে ছোটবেলায় তিনি নিজেও মদ তৈরি করতেন এবং সে সময় এটি বেশ জনপ্রিয় একটি শখ ছিল। সেই অভিজ্ঞতাই এখন স্টেশনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে কাজে লাগছে।
গত বছর এই বাগান থেকে মাত্র দুই বোতল মদ তৈরি করা সম্ভব হলেও এবার পরিস্থিতি অনেক বেশি আশাব্যঞ্জক। নিক কোলম্যানের মতে, এ বছরের আঙুরগুলো বেশ মিষ্টি হয়েছে এবং সামান্য বৃষ্টি হলে ফল আরও ভালোভাবে পরিপক্ব হবে।
তিনি বলেন, প্রতিটি লতা থেকে যদি অন্তত একটি করে বোতল মদ তৈরির মতো আঙুর পাওয়া যায়, সেটিই হবে বড় সাফল্য। তার ভাষায়, একটি লতা থেকে অতিরিক্ত ফলন নিলে মদের গুণগত মান কমে যায়। তাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনের বছর হিসেবে তারা মানের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এখন তাদের একমাত্র প্রত্যাশা, সময়মতো কিছুটা বৃষ্টি হলে আঙুরগুলো আরও ভালোভাবে ফুলে উঠবে এবং ডেনমার্ক হিল স্টেশনের এই ব্যতিক্রমী আঙুরবাগান থেকে এ বছর আরও উন্নত মানের মদ উৎপাদনের স্বপ্ন বাস্তব হবে।
সূত্রঃ মাই লন্ডন
এম.কে

