16.3 C
London
October 13, 2026
TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনের প্রমাণ যাচাই নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিল আপার ট্রাইব্যুনাল

যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রমাণের মানদণ্ড কীভাবে প্রয়োগ করতে হবে, সে বিষয়ে নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে দেশটির আপার ট্রাইব্যুনাল। ২০২২ সালের জাতীয়তা ও সীমান্ত আইন অনুযায়ী আশ্রয়ের দাবি মূল্যায়নের পদ্ধতি নিয়ে আগের একটি মামলায় দেওয়া নির্দেশনার ব্যাখ্যা আরও স্পষ্ট করতে আদালত এ বিষয়ে পুনরায় আলোচনা করেছে।

যুক্তরাজ্যের অভিবাসন আইনবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ফ্রি মুভমেন্ট’-এ ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত আইনবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনটির লেখক জোসেফ ম্যাগস। তবে মূল প্রতিবেদনটি সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকায় আদালতের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রকাশ্য অংশে পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেসিকে (ধারা ৩২, জাতীয়তা ও সীমান্ত আইন ২০২২) (বতসোয়ানা) মামলায় ২০২৪ সালে আপার ট্রাইব্যুনাল উল্লেখ করেছিল, ওই আইনের ৩২ ধারা আশ্রয়ের দাবি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি ‘নতুন কাঠামো’ প্রতিষ্ঠা করেছে। পরবর্তী সময়ে ডিএস বনাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মামলায় আদালত সেই ধারার প্রয়োগ এবং আগের মামলায় দেওয়া প্রাথমিক নির্দেশনা নিয়ে আবারও ব্যাখ্যা দিয়েছে।

নতুন মামলাটির আবেদনকারী ছিলেন আফগানিস্তানের একজন নাগরিক। প্রথম পর্যায়ের ট্রাইব্যুনাল তার আশ্রয় আবেদন ও মানবাধিকারসংক্রান্ত আপিল খারিজ করেছিল। আবেদনকারীর বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ওই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

এরপর আবেদনকারী আপার ট্রাইব্যুনালে আপিল করেন। তার পক্ষ থেকে দুটি আইনি যুক্তি তুলে ধরা হয়। প্রথমত, প্রথম পর্যায়ের ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামলার উত্থাপিত তথ্য ও ঘটনাগুলো মূল্যায়নে আইনি ভুল করেছিলেন। দ্বিতীয়ত, আশ্রয়ের আবেদন নিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তকে ইউরোপীয় মানবাধিকার সনদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অনুচ্ছেদের অধীনে করা দাবির ক্ষেত্রেও চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল, যা আবেদনকারীর মতে ভুল।

মানবাধিকার সনদের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে জীবনের অধিকারের সুরক্ষা এবং তৃতীয় অনুচ্ছেদে নির্যাতন ও অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ থেকে সুরক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শাবানা মাহমুদের নেতৃত্বাধীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সংশ্লিষ্ট মামলায় আইনজীবীরা স্বীকার করেন, প্রথম পর্যায়ের ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তে উভয় ক্ষেত্রেই আইনি ভুল ছিল এবং সিদ্ধান্তটি বাতিল করা উচিত।

তবে বিষয়টি সেখানেই শেষ হয়নি। আপার ট্রাইব্যুনাল উভয় পক্ষকে লিখিত বক্তব্য জমা দিতে এবং শুনানিতে অংশ নিয়ে ২০২২ সালের আইনের ৩২ ধারা ও আগের মামলার নির্দেশনা কীভাবে প্রয়োগ করা উচিত, সে বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপনের আহ্বান জানায়।

সূত্রঃ ফ্রি মুভমেন্ট

এমকে

আরো পড়ুন

যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে মিতসুবিশি গাড়ি দিয়ে কো-অপে ডাকাতি, নিয়ে গেল এটিএম মেশিন

তেলচালিত গাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে বাজার হতে

যুক্তরাজ্যে হোম অফিসের নির্দেশে অ্যাকাউন্ট বন্ধ, মানবিক সংকটে ভুক্তভোগীরা