সদ্য কারামুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ফোন করে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হওয়ার কথা জানান আনিস আলমগীর।
সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে বলেন, “সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ফোন করেছিলেন। আমি খুব সারপ্রাইজড। তিনি আমাকে ও আমার স্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কারাগারে থাকার কথা শুনেছেন।”
প্রধানমন্ত্রী এদিন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শফিক রেহমান, মোকাররম হোসাইনসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বলে পরে রাত সোয়া ১১টার দিকে জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের একজন কর্মকর্তা।
প্রধানমন্ত্রী তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন।
ওই কর্মকর্তাও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে ফোন করেছিলেন।
এ ফোনালাপের বিষয়ে আনিস আলমগীর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমি ধন্যবাদ জানাই, অভিনন্দন জানিয়েছি। তিনি আজকে ঈদের নামাজে যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি দেখিয়েছেন।
আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছি, ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টের পর থেকে তারেক রহমান অতীতের নেতিবাচক রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করেননি।”
এর আগে আনিস আলমগীর বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
সেদিনই মধ্যরাতে ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র এবং নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার’ অভিযোগে আনিস আলমগীরসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এ মামলা করেন।
এ মামলায় আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে।
এসব মামলায় জামিন হলে গত ১৪ মার্চ কারামুক্তি হয় এই সাংবাদিকের।
দৈনিক আজকের কাগজসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করা আনিসুর রহমান আলমগীর বেশি পরিচিত আনিস আলমগীর নামেই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক আনিস আলমগীর সমসাময়িক রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে টেলিভিশন টকশোতে নিজের বক্তব্যের কারণে আলোচনা-সমালোচনায় ছিলেন। ফেইসবুকে দেওয়া তার বিভিন্ন পোস্ট নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা হয়।
সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া
এম.কে

