ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসীদের উপর এক বিলিয়নেরও বেশি ডলারের প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে। যা যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার ইতিহাসে সর্ববৃহৎ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ৯২টি দেশের নাগরিকদের ভিসা এবং আইনি স্থিতি আবেদন স্থগিত রাখা হয়েছে, যার ফলে আবেদনকারীরা সরকারি ফি প্রদান করেও তাদের আবেদন পূর্ণ করতে পারছে না।
কেটো ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সরকারের নীতি অনুযায়ী আবেদনপত্র স্থগিত থাকলেও ফি নেওয়া হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের জানানোও হচ্ছে না যে তাদের আবেদন বাতিল হয়েছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের সম্প্রসারিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, স্থায়ী আবাসন ও কর্মসংস্থান অনুমতির আবেদন পর্যালোচনা, এবং ৭৫টি দেশের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থগিতকরণ এই প্রতারণার মূল।
এই নীতি দ্বারা প্রভাবিত দেশগুলোই যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসনের অর্ধেক প্রদান করে। এই নীতির ফলে প্রায় ২০ লাখ আবেদন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। অভিবাসী অধিকার রক্ষাকারী সংস্থা এবং নাগরিকরা ইতিমধ্যেই এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের দাবি এই নীতি ভুল ভিত্তিতে তৈরি এবং বৈষম্যমূলক।
বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, বর্তমানে করা এই নীতি ১৯২০-এর দশকের জাতিগত অভিবাসন কোটা নীতির সঙ্গে মিল রেখে করা। হোয়াইট হাউস, প্রতারণা প্রতিরোধের আড়ালে, পুরনো জাতিগত কোটা পুনঃপ্রবর্তনের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে বলে তথ্যমতে জানা যায়।
সূত্রঃ দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট
এম.কে

