যুক্তরাজ্যের ডাক সেবা রয়্যাল মেইল হাতে চিঠি ও পার্সেলের ঠিকানা লেখার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছে। ডাক দ্রুত ও সঠিকভাবে বাছাই এবং পৌঁছে দেওয়ার জন্য ঠিকানা স্পষ্ট, সহজে পড়া যায় এমনভাবে এবং নির্দিষ্ট জায়গায় লেখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
রয়্যাল মেইলের পরামর্শ অনুযায়ী, খামের ঠিকানা পরিষ্কার ও সহজে পড়া যায় এমন হাতের লেখায় লিখতে হবে। কালির রং যেন খাম বা পার্সেলের রঙের সঙ্গে স্পষ্ট বৈপরীত্য তৈরি করে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। সাদা খাম বা ঠিকানার লেবেলে কালো কালি ব্যবহারে ভালোভাবে দেখা যায়।
গাঢ়, উজ্জ্বল বা নকশাযুক্ত খাম ব্যবহার করলে ঠিকানা লেখার জন্য সাদা লেবেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে রয়্যাল মেইল। এতে ঠিকানাটি সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
ঠিকানা খাম বা পার্সেলের সামনের অংশের নিচের বাম দিকে লিখতে হবে। ডাকটিকিট বা ডাকমাশুলের স্থান থাকবে ওপরের ডান দিকে। ঠিকানা মাঝখানে না লিখে বাঁদিকে সমানভাবে সাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঠিকানার চারপাশেও পর্যাপ্ত খালি জায়গা রাখতে বলা হয়েছে।
রয়্যাল মেইল আরও জানিয়েছে, ঠিকানার মধ্যে কমা বা দাঁড়ির মতো যতিচিহ্ন ব্যবহার না করাই উচিত। প্রথমে প্রাপকের নাম, এরপর বাড়ির নম্বর ও সড়কের নাম লিখতে হবে। বাড়ির নম্বরের পরিবর্তে বাড়ির নাম থাকলে সেটিও ব্যবহার করা যাবে।
ঠিকানায় স্থানীয় এলাকা বা গ্রামের নামের পর শহর বা টাউনের নাম লেখা যেতে পারে। টাউনের নাম বড় হাতের অক্ষরে লেখার পরামর্শ দিয়েছে রয়্যাল মেইল। যুক্তরাজ্যের ভেতরে ডাক পাঠানোর ক্ষেত্রে কাউন্টির নাম লেখা বাধ্যতামূলক নয়।
পোস্টকোড ঠিকানার শেষ লাইনে বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে এবং সম্ভব হলে প্রতিটি চিঠি বা পার্সেলে পোস্টকোড দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিদেশে ডাক পাঠানোর ক্ষেত্রে গন্তব্য দেশের নাম একেবারে শেষ লাইনে বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে।
রয়্যাল মেইল বলেছে, পোস্টকোড নিয়ে সন্দেহ থাকলে ডাক পাঠানোর আগে তাদের পোস্টকোড যাচাই সেবা ব্যবহার করে তথ্য নিশ্চিত করা যেতে পারে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এসব নির্দেশনার অর্থ এই নয় যে গ্রাহকদের হাতে ঠিকানা লেখা বন্ধ করতে হবে। বরং পরিষ্কার হাতের লেখা, স্পষ্ট কালি এবং নির্দিষ্ট বিন্যাস অনুসরণ করলে চিঠি ও পার্সেল বাছাই এবং সরবরাহের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।
সূত্রঃ মাই লন্ডন
এমকে

