কাতারের রাজধানী দোহা থেকে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারগামী কাতার এয়ারওয়েজের কিউআর-২৩ (QR23) ফ্লাইটকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) দুটি টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। বিমানটি যুক্তরাজ্যের আকাশসীমায় প্রবেশ করার পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উদ্বেগের ভিত্তিতে কুইক রিঅ্যাকশন অ্যালার্ট সক্রিয় করা হয়।
আরএএফ জানিয়েছে, লিংকনশায়ারের আরএএফ কোনিংসবি ঘাঁটি থেকে দুটি টাইফুন যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করে। পরে তারা নটিংহ্যামের আকাশে কাতার এয়ারওয়েজের বোয়িং ৭৭৭ বিমানটিকে শনাক্ত করে নিরাপত্তা এসকর্ট দেয়। তবে ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগেই এসকর্ট কার্যক্রম শেষ করা হয়।
কর্তৃপক্ষ এখনো জানায়নি, ঠিক কী কারণে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বিমানের সঙ্গে কোনো প্রযুক্তিগত বা যোগাযোগসংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। কয়েকটি বিমান চলাচলবিষয়ক ওয়েবসাইট দাবি করেছে, এক পর্যায়ে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিলেন। যদিও এ তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
আরএএফের এক মুখপাত্র বলেন, “বেসামরিক কর্তৃপক্ষের উদ্বেগের কারণে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটের জন্য কুইক রিঅ্যাকশন অ্যালার্ট চালু করা হয়েছিল। পরে পরিস্থিতির সমাধান হয় এবং বিমানটি নিরাপদে ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে অবতরণ করে।”
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ম্যানচেস্টার বিমানবন্দরে জরুরি সেবার কর্মীদের প্রস্তুত রাখা হলেও বিমানটি কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই নিরাপদে অবতরণ করে এবং স্বাভাবিকভাবে নির্ধারিত গেটে পৌঁছে যায়। বিমানবন্দরের আগমনসূচি অনুযায়ী, ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে অবতরণ করে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত পরিচালনা করবে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ পর্যন্ত যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে এবং ঘটনাটি কোনো দুর্ঘটনায় রূপ নেয়নি।
সূত্রঃ দ্য সান
এম.কে

