13.7 C
London
May 20, 2026
TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে রাজি ব্রিটিশ জেন-জি, তবে দিতে হবে ওয়াই-ফাই, অ্যাটাচড বাথরুম

নতুন সৈন্য নিয়োগ করতে গিয়ে ভালো রকম বিপদেই পড়েছে ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনী। বিশেষ করে জেনারেশন জেড বা জেন-জিদের মধ্য থেকে সৈন্য নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে তারা বেশ বিপাকে পড়েছেন। কারণ, জেন-জি তরুণেরা যেসব দাবি জানিয়েছেন, তা সামরিক বাহিনীর এত দিনের ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জরিপে উঠে এসেছে, জেন-জিরা সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছেন। তাদের উত্থাপিত শর্তগুলোর মধ্যে অত্যাধুনিক ওয়াইফাই, কামরাসংলগ্ন বাথরুম ও রান্নাঘর এবং ডাবল বেড অন্যতম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরিপে উঠে এসেছে, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত তরুণ, অবিবাহিতরা মোট ১৯টি সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাশা করেন, যার মধ্যে উল্লিখিত চারটি প্রধান। ব্রিটিশ সশস্ত্র বাহিনীর নতুন ব্যারাকগুলোতে বসবাসকারী সৈন্যরা সাধারণত নিজস্ব একটি কামরা পেয়ে থাকেন এবং সবচেয়ে আধুনিক ব্যারাকগুলোতে কামরাসংলগ্ন বাথরুমও থাকে।

তবে পুরোনো ঘাঁটিগুলোতে অনেক সৈন্যকে একসঙ্গে একটি বড় কামরায় থাকতে হয়, একটি সাধারণ বাথরুম ব্যবহার করতে হয়। এসব ব্যারাকে সাধারণত ছয়জন সৈন্যের জন্য একটি কামরা ও একটি বাথরুম থাকে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নিম্নমানের আবাসন ও ক্যানটিনে মানহীন খাবারের কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার সৈন্য সশস্ত্র বাহিনী ত্যাগ করছেন।

এতে আরও বলা হয়, আবাসন ও খাবার নিয়ে উদ্বেগের কারণে ৪০ শতাংশ সৈন্য তাদের পেশা পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করছেন। গত বছর অর্থাৎ, ২০২৩ সালে ১৫ হাজার ৭১০ সেনা সশস্ত্র বাহিনী ত্যাগ করেছিলেন খাবার ও আবাসনসংক্রান্ত অভিযোগ তুলে।

এ ছাড়া জরিপে আরও দেখা গেছে, এক-তৃতীয়াংশ সৈন্য মনে করেন, তারা যে ধরনের জায়গায় থাকেন, তার মানের তুলনায় তারা বেশি অর্থ প্রদান করছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত দুই বছরে ২০ হাজারের বেশি সেনা আবাসনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছেন।

সূত্রঃ ডেইলি মেইল

এম.কে
২৮ অক্টোবর ২০২৪

আরো পড়ুন

অভিবাসী কেয়ার কর্মীদের প্রতি আচরণ নিয়ে তদন্তে দেরি করছে সরকারঃ আর,সি,এন

আসছে শীতে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে আতঙ্কে যুক্তরাজ্যের ভাড়াটিয়ারা

ইউরোপের ৩০ দেশে স্বীকৃতি পেল যুক্তরাজ্যের ব্লু ব্যাজ স্কিম