ব্রিটিশ মুসলিম ইনফ্লুয়েন্সার মোহাম্মদ হিজাব জানিয়েছেন, ইসরায়েলবিরোধী বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি পুলিশের ফৌজদারি তদন্তের মুখে রয়েছেন। এ বিষয়ে গত ৩১ অক্টোবর পুলিশের সঙ্গে সতর্কতামূলক জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেন তিনি। তার দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের অধিকাংশ প্রশ্ন ছিল ইসরায়েল নিয়ে তার প্রকাশ্য বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড ঘিরে।
হিজাব জানান, তিনি স্বেচ্ছায় পুলিশের সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েছিলেন। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদের প্রতিটি প্রশ্নের জবাবে তিনি ‘নো কমেন্ট’ বলেছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, গত মে মাসে গ্যাটউইক বিমানবন্দরে সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের সদস্যরা তাকে থামিয়ে তার ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করেন। পরে সেগুলোতে থাকা ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তিগত বার্তা পরীক্ষা করা হয়। প্রায় চার মাস পর তার ফোন ফেরত দেওয়া হয়।
হিজাব পুলিশের কিছু নোটও প্রকাশ করেছেন বলে দাবি করেছেন। তার প্রকাশিত নোটে হাতে লেখা একটি মন্তব্য ছিল—‘তথ্যদাতা হতে চান না’। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পুলিশের কর্মকর্তারা তাকে তথ্যদাতা হিসেবে নিয়োগের চেষ্টা করেছিলেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এ ছাড়া নিজের ব্যক্তিগত জীবনে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের সন্দেহও প্রকাশ করেছেন হিজাব। এ বিষয়ে তিনি কয়েকটি অস্বাভাবিক ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। তার দাবি, এক অপরিচিত ব্যক্তি তার পরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছিলেন এবং তাদের পরিবারের একটি গাড়িও চুরি হয়েছিল। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে মোসাদের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
পুলিশি তদন্তের মুখে নিজের অবস্থান তুলে ধরে হিজাব বলেন, ‘অসৎ মানুষের কাছে অসম্মানিত হওয়াটাও আমার জন্য সম্মানের।’
সূত্রঃ মিডল ইস্ট আই
এমকে

