নাশীত রহমান II ২৫ অক্টোবর ২০২৬ II লন্ডন
পৃথিবীর এক প্রান্তে যখন ফজরের আজান, অন্য প্রান্তে তখন জোহর, আসর, মাগরিব কিংবা এশার আহ্বান—দিনরাতের আবর্তনে বিশ্বজুড়ে অব্যাহত নামাজের ডাক
পৃথিবী অবিরাম ঘুরছে। এই ঘূর্ণনের ফলে কোথাও সূর্য উদিত হচ্ছে, কোথাও মধ্যাহ্ন, কোথাও সূর্য অস্ত যাচ্ছে, আবার কোথাও গভীর রাত। পৃথিবীর এই অবিরাম আবর্তনের সঙ্গে এক অসাধারণ ধর্মীয় ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে—মুসলমানদের নামাজের আহ্বান বা আজান।
প্রতিদিন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে কোটি কোটি মুসলমান পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। ফজর, জোহর, আসর, মাগরিব ও এশা—এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় নির্ধারিত হয় প্রধানত সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে।

বিস্ময়কর বিষয় হলো, পৃথিবীর কোথাও না কোথাও প্রতি মিনিটে আজান উচ্চারিত হওয়ার ধারণাটি ভৌগোলিক ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত যুক্তিসংগত। তবে আক্ষরিক অর্থে বছরের প্রতিটি মিনিটে আজান হচ্ছে—এমন দাবির পক্ষে বিশ্বব্যাপী পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণভিত্তিক তথ্য নেই। ফলে একে একটি শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময় পর্যবেক্ষণ হিসেবে উপস্থাপন করাই যথার্থ।
পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আহ্বান – অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা, মেক্সিকো, দক্ষিণ আমেরিকার পেরু, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ হাইওয়াইয়ে মতো বিস্তৃত জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে অসংখ্য মসজিদ থেকে দিনে পাঁচবার আজান দেওয়া হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন শহরে পাঁচ ওয়াক্ত আজানের উদাহরণ – উপরের বিশ্বমানচিত্রে নিউইয়র্ক, লন্ডন, মক্কা, ঢাকা, কুয়ালালামপুর, টোকিও ও সিডনির পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নমুনা সময়সূচি দেখানো হয়েছে। এগুলো নির্দিষ্ট দিনের যাচাইকৃত সময় নয়; প্রকৃত সময় তারিখ, ঋতু, ভৌগোলিক অবস্থান ও গণনাপদ্ধতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
শুধু বড় বড় শহরেই নয়, গ্রামগঞ্জ, প্রত্যন্ত জনপদ, মরুভূমি, পাহাড়ি অঞ্চল, দ্বীপ, সামুদ্রিক জাহাজ, অস্থায়ী শিবির এবং ভ্রমণরত মুসলমানদের মধ্যেও আজানের প্রচলন রয়েছে। কোনো প্রত্যন্ত গ্রামের ছোট মসজিদ থেকে আজান ভেসে আসে। কোনো মরুভূমিতে সফররত মুসলমানের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় নামাজের আহ্বান। আবার সমুদ্রের বুকে চলমান জাহাজেও মুসলমানরা নামাজ আদায় করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আজান দেন। পৃথিবীর যেখানেই মসজিদ রয়েছে এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বসবাস করেন, সেখানেই প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় আজান দেওয়া হয়।

পৃথিবী কেন আজানের ধারাবাহিকতা সৃষ্টি করে? পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘূর্ণন সম্পন্ন করে। এই ঘূর্ণনের ফলে বিভিন্ন দ্রাঘিমাংশে সূর্যোদয়, মধ্যাহ্ন ও সূর্যাস্তের সময় ভিন্ন হয়। পৃথিবীর দ্রাঘিমাংশের মোট বিস্তার ৩৬০ ডিগ্রি। গড়ে প্রতি ১৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশের ব্যবধানে স্থানীয় সৌরসময়ের পার্থক্য প্রায় এক ঘণ্টা। অর্থাৎ প্রতি এক ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশে প্রায় চার মিনিটের পার্থক্য ঘটে। এই সহজ বৈজ্ঞানিক নিয়ম থেকেই বোঝা যায়, পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে নামাজের সময় একই মুহূর্তে শুরু হয় না। যখন বাংলাদেশের ঢাকায় মাগরিবের আজান হচ্ছে, তখন সৌদি আরবের মক্কায় সাধারণত আসরের সময়, লন্ডনে দুপুর কিংবা বিকেল এবং নিউইয়র্কে সকাল হতে পারে। ঋতু ও দিনের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী এই সম্পর্ক পরিবর্তিত হয়।
এভাবে বিভিন্ন অঞ্চলের নামাজের সময় পরস্পরের সঙ্গে মিলে একটি বিস্তৃত ধারাবাহিকতা তৈরি করে। একটি শহরের সব মসজিদেও সব সময় একই সেকেন্ডে আজান শুরু হয় না। স্থানীয় সময়সূচি, মসজিদের অনুসৃত পদ্ধতি এবং বাস্তব ব্যবস্থাপনার কারণে কয়েক মিনিটের পার্থক্য থাকতে পারে। ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের আজানের সময় একটির সঙ্গে অন্যটির আংশিকভাবে মিলে যায়। এই ধারাবাহিকতার সৌন্দর্য এখানেই—পৃথিবী ঘুরছে, সময় এগিয়ে যাচ্ছে, আর বিভিন্ন ভূখণ্ড থেকে উচ্চারিত হচ্ছে একই আহ্বান।
আজান হলো ইসলামে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে যোগদানেরআহ্বান। নিচে আজানের মূল আরবি, বাংলা উচ্চারণ এবং বাংলা অর্থ দেওয়া হলো।
১. আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ (৪ বার)
| আরবি
اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ
|
বাংলা উচ্চারণ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার |
বাংলা অর্থ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ |
২. আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই (২ বার)
| আরবি
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ
|
বাংলা উচ্চারণ আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। |
বাংলা অর্থ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। |
৩. মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল (২ বার)
| আরবি
أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ
|
বাংলা উচ্চারণ আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ |
বাংলা অর্থ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল |
৪. নামাজের দিকে এসো (২ বার)
| আরবি
حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ |
বাংলা উচ্চারণ হাইয়া আলাস সালাহ। হাইয়া আলাস সালাহ। |
বাংলা অর্থ এসো নামাজের দিকে। এসো নামাজের দিকে। |
৫. কল্যাণের দিকে এসো (২ বার)
| আরবি
حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ |
বাংলা উচ্চারণ হাইয়া আলাল ফালাহ। হাইয়া আলাল ফালাহ। |
বাংলা অর্থ এসো সফলতা ও কল্যাণের দিকে। এসো সফলতা ও কল্যাণের দিকে। |
৬. আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ (২ বার)
| আরবি
اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَكْبَرُ |
বাংলা উচ্চারণ আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। |
বাংলা অর্থ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। |
৭. আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই (১ বার)
| আরবি
لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ |
বাংলা উচ্চারণ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। |
বাংলা অর্থ আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। |
ফজরের আজানে অতিরিক্ত বাক্য
ফজরের আজানে ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’-এর পর অতিরিক্ত একটি বাক্য দুইবার বলা হয়।
| আরবি
الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ |
বাংলা উচ্চারণ আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম। আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম। |
বাংলা অর্থ নামাজ ঘুমের চেয়ে উত্তম। নামাজ ঘুমের চেয়ে উত্তম। |
আজানের মূল বার্তা: আজান কেবল নামাজের আহ্বান নয়; এটি তাওহিদ, নবুয়ত, ইবাদত ও মানবকল্যাণের ঘোষণা।
আজানের প্রধান পাঁচটি বার্তা:
১. আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।
২. আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।
৩. মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল।
৪. নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদতের আহ্বান।
৫. ইহকাল ও পরকালের সফলতার দিকে আহ্বান।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভৌগোলিক অবস্থান ও সময়ের পার্থক্যের কারণে দিনের বিভিন্ন সময়ে আজান ধ্বনিত হয়। ভাষা, জাতি ও সংস্কৃতির ভিন্নতা সত্ত্বেও মুসলমানদের আজানের মূল বাণী একই। ইসলামের ইতিহাসে আজান এক অনন্য ও বিস্ময়কর অধ্যায়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবদ্দশায়, মিরাজের রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার পর মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনে নামাজের গুরুত্ব সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে মদিনায় হিজরতের পর প্রথম হিজরি সালে নামাজের সময় মুসলমানদের একত্র করার উদ্দেশ্যে আজান প্রবর্তিত হয়। মহানবী (সা.)-এর নির্দেশে ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন হজরত বিলাল ইবনে রাবাহ (রা.) আজান দেওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। সেই থেকে আজান মুসলিম সমাজে নামাজের আহ্বান এবং ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
১৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আহ্বান হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিকভাবে আজান ধ্বনিত হয়ে আসছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগে আজান প্রবর্তিত হওয়ার পর থেকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই ধর্মীয় আহ্বানের ঐতিহ্য অব্যাহত রয়েছে। পৃথিবীর রাজনৈতিক মানচিত্র বদলেছে, অসংখ্য সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন ঘটেছে, যুদ্ধবিগ্রহ, মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবসভ্যতা বিপর্যস্ত হয়েছে; কিন্তু আজানের আহ্বান মুসলিম সমাজ থেকে হারিয়ে যায়নি। পৃথিবীর এক প্রান্তে আজান শেষ হলে অন্য প্রান্তে নতুন ওয়াক্তের আজান শুরু হয়। এভাবেই আজান বিশ্বজুড়ে প্রায় নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। ১৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন পাঁচবার উচ্চারিত এই আহ্বান মানবসভ্যতার ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে প্রচলিত নিয়মিত ধর্মীয় ঘোষণাগুলোর অন্যতম। তা সত্ত্বেও আজানের এই সুদীর্ঘ ধারাবাহিকতা ইসলামের ইতিহাসে এক অসাধারণ ও বিস্ময়কর ঐতিহ্য।

একটি অঞ্চলে আজান শেষ হতে না হতেই অন্য অঞ্চলে আরেক ওয়াক্তের আজান শুরু হতে পারে। এভাবেই পৃথিবীর ঘূর্ণন, ভৌগোলিক বিস্তৃতি এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়ের পার্থক্য আজানকে বিশ্বব্যাপী প্রায় অবিরাম এক ধর্মীয় আহ্বানে পরিণত করেছে। শুধু বড় বড় শহর কিংবা জনবহুল নগরীতেই নয়, প্রত্যন্ত গ্রাম, দুর্গম পাহাড়ি জনপদ, মরুভূমির বসতি, সমুদ্রের দ্বীপ, এমনকি ভ্রমণরত মুসলমানদের বিভিন্ন সমাবেশেও আজান দেওয়া হয়। মসজিদের মিনার থেকে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে উচ্চারিত সেই একই আহ্বান পৃথিবীর কোটি কোটি মুসলমানকে দিনে পাঁচবার নামাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন ধর্মীয় আহ্বানের ধারাবাহিকতা নিঃসন্দেহে অসাধারণ। চৌদ্দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোটি কোটি মানুষের কণ্ঠে একই বিশ্বাসের ঘোষণা উচ্চারিত হয়ে আসছে। পৃথিবীর এক প্রান্তে সূর্য অস্ত যাচ্ছে, অন্য প্রান্তে সূর্য উদিত হচ্ছে; কোথাও রাত গভীর হচ্ছে, কোথাও নতুন দিনের সূচনা হচ্ছে। আর এই পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে যুগের পর যুগ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে সেই চিরপরিচিত আহ্বান আজান।
আজান কেন পৃথিবীজুড়ে অব্যাহত থাকে? পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে বিভিন্ন দেশে সূর্যোদয়, মধ্যাহ্ন ও সূর্যাস্ত ভিন্ন সময়ে ঘটে। ফলে এক অঞ্চলে ফজরের আজান হওয়ার সময় অন্য অঞ্চলে জোহর, আসর, মাগরিব কিংবা এশার সময়। বিশ্বের অসংখ্য মসজিদে স্থানীয় সময় অনুযায়ী আজান দেওয়ার ফলে দিনরাতজুড়ে নামাজের আহ্বানের এক বিস্ময়কর ধারাবাহিকতা সৃষ্টি হয়।
পৃথিবী ঘুরছে, সময় বদলাচ্ছে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ধ্বনিত হচ্ছে সেই একই আহ্বান আজানের ধ্বনি —আল্লাহু আকবার।
লেখক পরিচিতি – নাশীত রহমান যুক্তরাজ্যভিত্তিক একজন বিশিষ্ট ও অভিজ্ঞ আইনজীবী, যিনি ইমিগ্রেশন, অ্যাসাইলাম ও মানবাধিকার আইনে বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবেও তাঁর রয়েছে তিন দশকেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য পেশাগত অভিজ্ঞতা। তিনি জনপ্রিয় সরাসরি সম্প্রচারিত আইনি অনুষ্ঠান “Law with N Rahman”-এর দীর্ঘদিনের উপস্থাপক। যুক্তরাজ্যের সংসদীয় ও নীতিনির্ধারণী আলোচনা, অভিবাসন আইন, মানবাধিকার এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখালেখি, আইনি বিশ্লেষণ, পরামর্শ ও অবদান ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

