TV3 BANGLA
মুক্তমতযুক্তরাজ্য (UK)

ব্রিটিশ রাজনীতিতে বিরল ঐক্যমত: লেবারের নেতৃত্বে অ্যান্ডি বার্নহামের অনিবার্য উত্থান

নাশিত রহমান || লন্ডন || ৭ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন এক বিরল নীরবতা। সাধারণত নেতৃত্ব পরিবর্তনের সময় যে উত্তেজনা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা মতাদর্শিক সংঘর্ষ দেখা যায়, এবার তা একোরেই অনুপস্থিত। কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ ঘোষণার পর লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে ৯ জুলাই ২০২৬, কিন্তু এই মুহূর্তে দলটি কার্যত একক পথেই হাঁটছে—অ্যান্ডি বার্নহামের দিকে।

স্টারমারের বিদায়ের পর লেবার পার্টির অভ্যন্তরে যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি ঘুরপাক খাচ্ছিল কে নেতৃত্ব দেবেন, কে প্রধানমন্ত্রী হবেনয় এই প্রশ্নের উত্তর এখন স্পষ্ট। বার্নহাম ইতোমধ্যে বিপুল সংখ্যক এমপির সমর্থন পেয়েছেন, এবং সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা একে একে সরে দাঁড়িয়েছেন। ওয়েস স্ট্রিটিং, ডেভিড ল্যামি, ড্যারেন জোন্স—যাদের নাম প্রথম দিকে আলোচনায় ছিল—তারা সবাই বার্নহামের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রতিযোগিতা থেকে সরে গেছেন। আল কার্নস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘোষণা করেননি, কিন্তু তার পক্ষে কোনো সংগঠিত প্রচার বা এমপি সমর্থনও দেখা যাচ্ছে না। ফলে ৯ জুলাই মনোনয়ন পর্ব শুরু হওয়ার আগে হঠাৎ কোনো চ্যালেঞ্জ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।

লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন পর্বে একজন প্রার্থীকে অন্তত ৮১ জন এমপির সমর্থন পেতে হবে। বার্নহাম ইতোমধ্যে এই সংখ্যার বহু গুণ বেশি সমর্থন পেয়েছেন। যদি মনোনয়ন পর্বে তিনি একমাত্র যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ান, তবে ১৬ জুলাই মনোনয়ন বন্ধ হওয়ার পরই তাকে লেবার পার্টির নতুন নেতা ঘোষণা করা হবে। এরপর দলীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ১৭ জুলাই তাকে বাকিংহাম প্যালেসে আমন্ত্রণ জানানো হবে, যেখানে রাজা চার্লস তৃতীয় তাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব প্রদান করবেন। এই মুহূর্ত থেকেই তিনি যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে কোনো শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান নেই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক “oath of office” নেওয়া লাগে না। এটি ব্রিটিশ সাংবিধানিক ঐতিহ্যের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। প্রধানমন্ত্রী নিজে কোনো শপথ নেন না, কিন্তু তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা নেন। তারা Privy Council-এর ঐতিহ্যবাহী শপথ গ্রহণ করেন, যা ব্রিটিশ রাষ্ট্রব্যবস্থার ধারাবাহিকতা ও গোপনীয়তার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী যদি আগেই Privy Council-এর সদস্য হন—যা অধিকাংশ সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীই হন—তাহলে তাকে নতুন করে কোনো শপথ নিতে হয় না।

প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগের ধাপগুলো
১. যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগে মনোনয়ন গ্রহন শুরু – ৯ জুলাই ২০২৬
২. মনোনয়ন গ্রহনের শেষ সময় – ১৬ জুলাই ২০২৬
৩. নির্বাচনের ফল ঘোষণা – ১৭ জুলাই ২০২৬
৪. লেবার পার্টির নতুন নেতা বাকিংহাম প্যালেসে রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ – ১৭ জুলাই ২০২৬
৫. রাজা তাকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সরকার গঠনের দায়িত্ব প্রদান – ১৭ জুলাই ২০২৬
৬. নতুন প্রধানমন্ত্রীর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশ- ১৭ জুলাই ২০২৬
৭. নতুন প্রধানমন্ত্রীর নম্বর ১০-এর সামনে প্রথম বক্তব্য – ১৭ জুলাই ২০২৬
৮. মন্ত্রিসভা ঘোষণা – ১৭ জুলাই ২০২৬
৯. মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ – ১৮ – ২০ জুলাই ২০২৬

এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নিজে কোনো শপথ নেন না। মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ সাধারণত প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের পর খুব দ্রুতই অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে Privy Council-এর একটি বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। এই বৈঠকেই নতুন মন্ত্রীরা শপথ নেন। শপথটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ব্রিটিশ রাষ্ট্রব্যবস্থার ধারাবাহিকতা, গোপনীয়তা এবং সাংবিধানিক দায়িত্বের প্রতীক।
সুতরাং, যদি বার্নহাম ১৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী হন, তবে নতুন মন্ত্রীরা সম্ভবত ১৮ জুলাই থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে শপথ নেবেন। এই সময়সীমা ব্রিটিশ রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ—দ্রুত, সংঘর্ষহীন এবং অত্যন্ত কাঠামোবদ্ধ। তবে সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ভর করবে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সময়সূচি এবং Privy Council-এর আনুষ্ঠানিক আহ্বানের ওপর।
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় একটি বিষয় সবসময়ই বিদেশি পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করে—প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য কোনো শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা নেই। ক্ষমতার সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার মুহূর্তটি ঘটে নীরবে, কোনো প্রতিজ্ঞা, কোনো পাঠ, কোনো আনুষ্ঠানিক শপথ ছাড়াই। এই অনুপস্থিতি কোনো ঘাটতি নয়; বরং ব্রিটিশ সাংবিধানিক ঐতিহ্যের গভীর রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন।

ব্রিটিশ রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো সংসদীয় সার্বভৌমত্ব। প্রধানমন্ত্রী জনগণের সরাসরি নির্বাচিত প্রতিনিধি নন; তিনি সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার রাজনৈতিক নেতা। তার বৈধতা আসে কোনো শপথ থেকে নয়, বরং হাউস অব কমন্সে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সমর্থন থেকে। ফলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মুহূর্তটি আসলে রাজনৈতিক বৈধতার স্বীকৃতি, সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতার নয়। এই কারণেই প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের মূল ধাপটি ঘটে বাকিংহাম প্যালেসে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সঙ্গে একটি নীরব সাক্ষাতে, যেখানে রাজা তাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব প্রদান করেন। এই মুহূর্তেই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন—কোনো শপথ ছাড়াই।

এই ঐতিহ্যের পেছনে রয়েছে ব্রিটিশ রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি মৌলিক রাজনৈতিক তত্ত্ব: ক্ষমতা ব্যক্তির নয়, ক্ষমতা দায়িত্বের। আর দায়িত্বের উৎস হলো সংসদ, রাজতন্ত্র নয়। প্রধানমন্ত্রীকে শপথ নিতে হয় না, কারণ তার ক্ষমতা কোনো ব্যক্তিগত আনুগত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়; এটি প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর। শপথের অনুপস্থিতি তাই ব্রিটিশ গণতন্ত্রের একটি গভীর বার্তা বহন করে—ক্ষমতার উৎস জনগণ, তার প্রতিনিধি সংসদ; প্রধানমন্ত্রী সেই ক্ষমতার রাজনৈতিক ধারক মাত্র।

অন্যদিকে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা এই কাঠামোরই আরেকটি দিক। মন্ত্রীরা রাষ্ট্রের গোপনীয়তা, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং সাংবিধানিক কর্তব্যের সরাসরি ধারক। তাদের শপথ রাষ্ট্রের গোপনীয়তা ও দায়িত্বের প্রতি আনুগত্যের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী যদি আগেই Privy Council-এর সদস্য হন—যা অধিকাংশ সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীই হন—তবে তিনি আগেই সেই গোপনীয়তার শপথ নিয়ে থাকেন। ফলে নতুন করে কোনো শপথ নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

এখানে আরেকটি গভীর রাজনৈতিক বাস্তবতা রয়েছে। ব্রিটিশ রাষ্ট্রব্যবস্থা ক্ষমতার রূপান্তরকে যতটা সম্ভব নীরব, সংঘর্ষহীন এবং ধারাবাহিক রাখতে চায়। প্রধানমন্ত্রী শপথ নিলে তা ক্ষমতার ব্যক্তিকরণকে বাড়িয়ে তুলত, যা ব্রিটিশ সাংবিধানিক দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। প্রধানমন্ত্রীকে শপথ থেকে মুক্ত রাখার মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থা স্পষ্ট করে দেয়—ক্ষমতা ব্যক্তির নয়; ক্ষমতা সংসদের, আর প্রধানমন্ত্রী সেই ক্ষমতার রাজনৈতিক পরিচালক।

এই ঐতিহ্যই যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি মূল ভিত্তি। ক্ষমতার রূপান্তর এখানে কোনো নাটকীয়তা নয়; এটি একটি নীরব সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। নতুন প্রধানমন্ত্রী নম্বর ১০-এ প্রবেশ করেন কোনো শপথ ছাড়াই, কিন্তু পূর্ণ সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে। আর নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ সেই বৈধতার প্রশাসনিক কাঠামোকে দৃঢ় করে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে—যদি কোনো ব্যক্তি আগেও মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে থাকেন, তবে নতুন মন্ত্রিসভায় নতুন পদ পেলে কি তাকে আবার শপথ নিতে হয়? ব্রিটিশ সাংবিধানিক বাস্তবতা বলছে, অবশ্যই নিতে হয়। কারণ মন্ত্রিত্ব কোনো ব্যক্তিগত পরিচয় নয়; এটি একটি নতুন রাজনৈতিক দায়িত্ব, একটি নতুন সাংবিধানিক চুক্তি। আগের শপথ পূর্ববর্তী সরকারের নীতি, নেতৃত্ব এবং ক্ষমতার কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ছিল। নতুন মন্ত্রিত্ব মানে নতুন নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য, নতুন নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং নতুন দায়িত্বের প্রতি গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা। ফলে আগের শপথ কার্যকর থাকে না; প্রতিটি নতুন মন্ত্রিত্বের জন্য নতুন শপথ আবশ্যক।

ব্রিটিশ রাষ্ট্রব্যবস্থার গভীর রাজনৈতিক দর্শন এখানেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ক্ষমতা ব্যক্তির নয়; ক্ষমতা দায়িত্বের। আর দায়িত্ব প্রতিবার নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত হয়। প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন মানে ক্ষমতার কেন্দ্র পরিবর্তন। মন্ত্রীরা যে শপথ নেন, তা মূলত এই নতুন ক্ষমতার কেন্দ্রের প্রতি আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি। নতুন প্রধানমন্ত্রী মানে নতুন রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা, নতুন প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং নতুন নৈতিক কাঠামো। শপথ সেই নতুন কাঠামোর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।
Privy Council-এর শপথ গোপনীয়তা ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তার প্রতীক। এটি একবার নেওয়া হলে পুনরায় নিতে হয় না। কিন্তু Ministerial Oath প্রতিবার নতুন মন্ত্রিত্বের সঙ্গে যুক্ত থাকে। রাষ্ট্রের গোপনীয়তা ব্যক্তির সঙ্গে নয়, দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত—এটাই ব্রিটিশ সাংবিধানিক দর্শনের মূল ভিত্তি। তাই নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ আসলে রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক বৈধতার পুনর্নির্মাণ।

এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটি শুধু নতুন মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক সূচনা নয়; বরং নতুন সরকারের নীতিগত দিকনির্দেশনার প্রথম ইঙ্গিত। কোন মন্ত্রী কোন দায়িত্ব পেলেন, কে কোন নীতি পরিচালনা করবেন—এই সবকিছুই শপথ গ্রহণের পরপরই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে এই অনুষ্ঠানটি ক্ষমতার রূপান্তরের একটি কেন্দ্রীয় ধাপ, যা ব্রিটিশ রাজনৈতিক সংস্কৃতির গভীর ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত।
অ্যান্ডি বার্নহামের সম্ভাব্য উত্থান এই ঐতিহ্যের মধ্যেই ঘটতে যাচ্ছে। লেবার পার্টির অভ্যন্তরে যে ঐক্যমত তৈরি হয়েছে, তা নির্দেশ করছে যে যুক্তরাজ্য একটি শান্ত, সংঘর্ষহীন নেতৃত্ব পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ সেই রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক সিলমোহর।

এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্রিটিশ রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক গভীর বার্তা বহন করে। ক্ষমতার রূপান্তর এখানে সংঘর্ষহীন, আনুষ্ঠানিকতাহীন, কিন্তু অত্যন্ত কাঠামোবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী হওয়া মানে শপথ নেওয়া নয়; বরং সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রতিনিধিত্ব করা। রাজা চার্লসের সঙ্গে সেই নীরব সাক্ষাৎই ক্ষমতার প্রকৃত স্থানান্তর।
এই নেতৃত্ব পরিবর্তন লেবার পার্টির জন্য একটি বিরল ঐক্যবদ্ধ মুহূর্ত তৈরি করেছে। স্টারমারের বিদায়ের পর দলটি কোনো অভ্যন্তরীণ বিভাজন বা মতাদর্শিক সংঘর্ষে জড়ায়নি; বরং দ্রুতই একটি ঐক্যমতের দিকে এগিয়েছে। বার্নহামের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, স্থানীয় সরকারে তার জনপ্রিয়তা এবং দলীয় অভ্যন্তরে তার গ্রহণযোগ্যতা এই ঐক্যমতের ভিত্তি তৈরি করেছে।

আরো পড়ুন

যুক্তরাজ্যে অ্যাডাম খান হত্যাকাণ্ডঃ কিশোরীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার

স্ত্রীর মৃত্যুতে ভিসা বাতিল, ফেরত মিলল না আবেদন ফি’সঃ হোম অফিসের অমানবিকতা

ব্রিটিশ নির্বাচনঃ উচ্ছ্বসিত প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া অভিবাসীরা